× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

আজ থেকে নির্বাচনি প্রচারে নামছেন প্রার্থীরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। তপশিল অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারে নামবেন তারা। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচার চালাতে পারবেন।

এদিকে, বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশের ২৯৮টি সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তারা মোট ১ হাজার ৯৭৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি মাঠে নামার সব আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হলো বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।

এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর রিটার্নিং কর্মকর্তারা কোন আসনে কতজন প্রার্থী রয়েছেন, সে তথ্য নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন। একই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকা সংক্রান্ত ফরম-৫ পূরণ করে পাঠানো হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ায় বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই ব্যালট পেপার ছাপানোর কাজ শুরু হতে পারে। পাশাপাশি প্রতীক পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচার শুরু করার আইনি সুযোগ পাচ্ছেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল গত ২৯ ডিসেম্বর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই শেষে ৭২৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৫৮।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল গ্রহণ শুরু হয়, যা চলে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে মোট ৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। ১০ জানুয়ারি থেকে একটানা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে ৬৪৫ জন প্রার্থীর আপিল গ্রহণ করা হয়, যার মধ্যে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান।

তবে পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়। আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তপশিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ১৩ জনের মধ্যে) চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েন। ভোটের তারিখ অপরিবর্তিত রেখে এ দুটি আসনে নতুন করে তপশিল ঘোষণা করা হয়। সেই অনুযায়ী গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন। শেষ দিনে পাবনা-১ আসনে সাতটি এবং পাবনা-২ আসনে পাঁচটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করবেন।

এদিকে নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনি প্রচার শুরুর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে জমে উঠবে নির্বাচনি উত্তাপ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!