× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

ডা. শফিকুর রহমান–মিল্টনের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৬:১০ পিএম

ডা. শফিকুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন। ছবি- সংগৃহীত

ডা. শফিকুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন। ছবি- সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টনের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, এই আসনে দুই প্রার্থীর সমর্থনের ব্যবধান থাকলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন থাকায় ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা ও এডভোকেসি সংস্থা ‘সোচ্চার–টর্চার ওয়াচডগ বাংলাদেশ’ পরিচালিত জরিপে দেখা যায়, ঢাকা-১৫ আসনের ৩৯.৫ শতাংশ ভোটার জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে ভোট দিতে চান। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টনের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ৩০ শতাংশ ভোটার। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. শিব্বির আহমদ।

ড. শিব্বির আহমদ জানান, ঢাকা-১৫ আসনে মোট ৫১৪ জন ভোটারের ওপর জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৫৯.১ শতাংশ পুরুষ এবং ৪০.৯ শতাংশ নারী। লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, পুরুষ ভোটারদের ৪০.৫ শতাংশ এবং নারী ভোটারদের ৩৮.১ শতাংশ ডা. শফিকুর রহমানকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে মিল্টনের পক্ষে পুরুষ ভোটারদের সমর্থন ২৬ শতাংশ এবং নারী ভোটারদের সমর্থন ৩৫.৭ শতাংশ।

জরিপ অনুযায়ী, এই আসনের ১৪.৪ শতাংশ ভোটার এখনও সিদ্ধান্তহীন এবং ১২.১ শতাংশ ভোটার মতামত প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক। এ ছাড়া ৩.৩ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, তারা ভোট দেবেন না। বিশ্লেষকদের মতে, এই বড় অংশের সিদ্ধান্তহীন ভোটারই শেষ মুহূর্তে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন।

বয়সভিত্তিক জরিপে দেখা গেছে, সব বয়সী ভোটারদের মধ্যেই জামায়াত আমির তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন। ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের ৩৬ শতাংশ, ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের ৩৯ শতাংশ, ৩৬ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের ৪৩ শতাংশ, ৪৬ থেকে ৫৫ বছর বয়সীদের ৩৫ শতাংশ এবং ৫৫ বছরের বেশি বয়সীদের ৪১ শতাংশ ডা. শফিকুর রহমানকে ভোট দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। একই বয়সভিত্তিক শ্রেণিতে মিল্টনের সমর্থন রয়েছে যথাক্রমে ১৮, ৩৬, ৩২, ২৩ ও ২৫ শতাংশ।

শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবেচনায়ও ডা. শফিকুর রহমান এগিয়ে রয়েছেন। শিক্ষাবঞ্চিত, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষিত—সব স্তরের ভোটারদের মধ্যেই তার সমর্থন তুলনামূলক বেশি। পেশাভিত্তিক জরিপে দেখা যায়, গৃহিণী, বেসরকারি চাকরিজীবী, সরকারি চাকরিজীবী, শ্রমিক, ক্ষুদ্র ও বড় ব্যবসায়ী শ্রেণির ভোটারদের একটি বড় অংশ জামায়াত আমিরের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

‘এই আসনে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হতে পারেন’—এমন প্রশ্নে ৪৯.২ শতাংশ ভোটার মনে করেন ডা. শফিকুর রহমান বিজয়ী হবেন। অন্যদিকে ৩২.৫ শতাংশ ভোটারের ধারণা, বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মিল্টন জয়ী হতে পারেন। পুরুষ ও নারী উভয় ভোটারদের মধ্যেই জামায়াত আমিরের জয়ের সম্ভাবনা প্রায় সমানভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

জরিপের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে ড. শিব্বির আহমদ বলেন, অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে তাদের পরিচালিত জরিপ বাস্তব ফলাফলের সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবারের জরিপও ভোটের মাঠের বাস্তব চিত্র বুঝতে সহায়ক হবে।

সামগ্রিকভাবে জরিপের তথ্য বলছে, ঢাকা-১৫ আসনে ডা. শফিকুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম মিল্টনের মধ্যে লড়াই ক্রমেই জমে উঠছে। বড় অংশের সিদ্ধান্তহীন ভোটার এবং শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক গতিবিধিই এই আসনের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Link copied!