ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পুলিশের কড়া হুঁশিয়ারি

‘ব্যালট বাক্সে হাত দিলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে’

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৭:১২ এএম
তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

নির্বাচনী নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে থাকবে। কেউ যদি ব্যালট বাক্স ছিনতাই বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তাহলে তা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

ব্যালট বাক্স ছিনতাই প্রসঙ্গে জুয়েল রানা বলেন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার—সবাই দায়িত্বে থাকবে। সবার হাতে থাকবে আধুনিক অস্ত্র। এগুলো দেখলেই কেউ ব্যালট বাক্সে হাত দেওয়ার সাহস পাবে না।

তিনি আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাস, ভোট কারচুপি বা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন বিকেলে মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ে নির্বাচন উপলক্ষে র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ ফুট পেট্রোল মহড়া শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এডিসি জুয়েল রানা।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে মোহাম্মদপুর এলাকায় এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যাতে দুষ্কৃতিকারী ও বিশৃঙ্খলাকারীদের মধ্যে ভয় কাজ করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, গত কয়েকদিনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর তৎপরতার ফলে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীরা এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি হবে শুধু ভোটার ও প্রশাসনের দিন। যারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করতে চায়, তাদের মনে আগেই ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা-১৩ আসন ঝুঁকিপূর্ণ কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো ঝুঁকিপূর্ণ আসন নেই। গত ১০–১৫ দিনে এখানে মারামারি, কাটাকাটি বা সহিংসতার কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি।

তিনি সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন। আপনার ভোট আপনি নিজেই দেবেন—এটা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব।