× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১১:০৪ এএম

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন কাল, ব্যালট বিপ্লবের প্রত্যাশায় ভোটাররা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ১১:০৪ এএম

পুরোনো ছবি।

পুরোনো ছবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দেড় দশক ভোট বঞ্চিত থাকার পর দেশের সাধারণ ভোটাররা এবার ব্যালট বিপ্লব ঘটানোর প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছেন। নির্বাচনের আগে নানা শঙ্কা থাকলেও, ভোট ডাকাতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে সতর্ক থাকার কথাও জানাচ্ছেন ভোটাররা।

মুন্সীগঞ্জের চর নুরু বয়াতি এলাকার বাসিন্দারা নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। তারা জানিয়েছেন, আনন্দ উৎসবের মতো পরিবেশে ভোট দিতে যাবেন। ট্রলারের মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য ইতিমধ্যেই আয়োজন শুরু হয়েছে। ভোটের দিন তারা পরিবার এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে একসাথে কেন্দ্রের দিকে যাবেন।

স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, আগের নির্বাচনে তাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তাই এবার তারা কেন্দ্রে যাবার জন্য ফসলি জমি থেকে পাঠশালা পর্যন্ত সব প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভোটকেন্দ্রে সচেতন থাকা এবং কোনো অনিয়ম প্রতিরোধ করার বিষয়েও সবাই একমত।

চরের এক কৃষক বলেন, ১৭ বছরে এমন সুযোগ পাইনি। এবার সুযোগ পেয়েছি, ভোট দিতে যাব। দুই নদী পার হতে হবে, তবুও সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. রওনক জাহান নির্বাচনের ফল নিয়ে শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দলই অভিযোগ করছে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন অন্য দলের পক্ষে কাজ করছে। নির্বাচনের পরে যদি দলগুলো ফল মেনে নেয় এবং নির্বাচন সঠিক হয়েছে বলে ঘোষণা করে, তাহলে মানুষের আস্থা বজায় থাকবে। অন্যথায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।

ভোট উৎসবের এই আমেজ শুধু মুন্সীগঞ্জেই নয়, সারা দেশে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নির্বাচনে মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ এবং উৎসবমুখর পরিবেশ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোট বঞ্চিত হওয়ার পর সাধারণ মানুষ নিজের ভোটের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার সূচনা করতে চাইছেন।

নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো নির্বাচনি ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ রাখতে বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটারদের সচেতন এবং শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ এই নির্বাচনের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করছেন, আগামীকালকের নির্বাচন ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। সাধারণ মানুষকে ভোট দেওয়ার স্বাধীনতা এবং ভোটের মর্যাদা নিশ্চিত করতে ভোটারদের দায়িত্বশীল আচরণ অত্যন্ত জরুরি। ভোট উৎসবের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!