বাংলাদেশে ভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনি পরিবেশ সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে মাঠ পর্যায়ে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য। সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায়।
সরকার বা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে 'স্ট্রাইকিং ফোর্স' হিসেবে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় মোবাইল ফোর্স হিসেবে মোতায়েন রয়েছে বিজিবি। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাচনি অপরাধ প্রতিরোধ এবং তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মাঠে রয়েছেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
বিশেষ করে শহরের প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি সন্দেহভাজন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নাশকতাকারী উপাদান উদ্ধার করতেই এই বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তল্লাশির পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপত্তায় বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর পাশাপাশি মাঠে রয়েছেন র্যাব ও বিজিবি সদস্যরা। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কাজ করছেন নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে ভোটারদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানিয়েছে, ভোটের দিনও এই কড়াকড়ি বজায় থাকবে, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন