× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম

দেশের দিকনির্দেশনায় জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকাই প্রধান : প্রধানমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১২:১৯ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদের হাতে থাকলেও দেশের সামগ্রিক দিকনির্দেশনা নির্ধারণে জ্ঞানী–গুণীজনদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে আয়োজিত একুশে পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বলা হয়, স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথমবারের মতো ১৯৭৬ সালে একুশে পদক প্রবর্তন করেন। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী স্মরণে রাখে। পাশাপাশি, যারা শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, গবেষণা ও সমাজকল্যাণে অবদান রেখেছেন, তাদের সঙ্গে জনগণের পরিচয় ঘটেছে।

তিনি বলেন, শুরুতে তিনটি ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ কমপক্ষে ১২টি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। জ্ঞান, বিজ্ঞান ও শিল্প–সাহিত্য চর্চা আরও বিকশিত হোক এটাই আমার প্রত্যাশা। শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প সাহিত্যকে এগিয়ে নিতে রাষ্ট্র ও সরকার দায়িত্ব পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প–সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। আমাদের লক্ষ্য নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, যেখানে দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। এটি মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং জালেমদের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের প্রতীক। আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহের উৎস এই মাস।

প্রধানমন্ত্রী গুণীজনদের ভূষিত করার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও দেশের জ্ঞানী, গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে। এটি রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব, জনগণকে গুণীজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্ব সাহিত্যের জগতে আলো ছড়াবে। আজ যারা একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন, তাদেরকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আল্লাহ তাদের জীবন কল্যাণময় করুন।

এর আগে, সচিবালয়ে বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী পায়ে হেঁটে একুশে পদক অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ হাতে তুলে দেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!