× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

ভূমিকম্পে বারবার কাঁপছে দেশ, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা?

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

চলতি মাসের ২৬ দিনে দেশজুড়ে মোট আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে জনমনে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বড় কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে কি না। এরই মধ্যে গতকাল বুধবার রাতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার, যার মাত্রা ছিল ৫.১। বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে আরও উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিটে অনুভূত এই কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১২৯ কিলোমিটার গভীরে। যদিও এতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘন ঘন এ ধরনের কম্পন বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস কি না তা নিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

মাসের শুরু থেকেই দেশজুড়ে ধারাবাহিকভাবে ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে।

১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার মৃদু কম্পন দিয়ে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর মধ্যে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রা এবং মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি কম্পন ছিল।

এরপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দু’বার এবং ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ২৬ দিনে আটবার কেঁপেছে দেশ।

এর আগে গত নভেম্বরে ৫.৭ মাত্রার এক ভূমিকম্পে দেশে ১০ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন।

ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক সৈয়দ হুমায়ুন আখতার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ছোট ও মাঝারি মাত্রার এ ধরনের ঘন ঘন কম্পন বড় কোনো ভূমিকম্পের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। ভূত্বকের নিচে দীর্ঘদিন ধরে শক্তি জমা হয়ে থাকলে তা বড় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি করে। বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভৌগোলিকভাবেই অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে রয়েছে। ছোট কম্পনগুলো আসলে ইঙ্গিত করছে যে ভূ-অভ্যন্তরে বড় ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে।

সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো, নিয়মিত মহড়া এবং ভূমিকম্প-সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি জানান।

Link copied!