× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

যে ৩ কারণে বেড়েছে মশার ভয়াবহ উপদ্রব

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম

মশা নিয়ন্ত্রণে ফগিং মেশিন। ছবি : সংগৃহীত

মশা নিয়ন্ত্রণে ফগিং মেশিন। ছবি : সংগৃহীত

শীতের বিদায় আর বসন্তের আগমনে প্রকৃতিতে যখন পরিবর্তনের হাওয়া, ঠিক তখনই সারা দেশে মশার উপদ্রব ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা শহরেও মশার দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে মশার উপদ্রব ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা-উপজেলা শহরেও মশার দাপটে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ।

বছরের এই সময়ে প্রতিবছরই মশা কিছুটা বাড়ে বলেই মত কীটতত্ত্ববিদের। তবে এবার মশার উপদ্রব অনেকটা বেশি বলেই জানিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ও কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার।

এর পেছনে তিনটি কারণকে দায়ী করছেন তিনি। 

তিনি বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশের স্থানীয় সরকার প্রশাসন পুরোপুরি ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল, মাঠ পর্যায়ে প্রশাসন ছিল না বললেই চলে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অচলাবস্থার কারণে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজগুলো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ায়, বিশেষ করে জনবহুল সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে মশা অধিক হারে বেড়েছে বলেই মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশনের মতো স্থানীয় সরকার প্রশাসনের যে অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলো ছিল, পুরো কাঠামোটাই ভেঙে পড়েছে।

দ্বিতীয়ত, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমসহ সব ধরনের তৎপরতার গতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় বৃষ্টি না থাকায় ড্রেন, ডোবা, নর্দমার পানি আটকে কিউলেক্স মশার বংশবৃদ্ধির জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

বৃষ্টি না হওয়ায় ড্রেন, ডোবা, নর্দমার জমে থাকা পানি স্থির থেকেছে, সেই পানি পরিষ্কার না করায় দীর্ঘদিন ধরে পচেছে। এখন বসন্তের আগমনে কিছুটা তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় গরমে মশার বংশবৃদ্ধির উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, শুষ্ক সময়ে জমে থাকা পানি যদি সিটি করপোরেশন বা স্থানীয় প্রশাসন পরিষ্কারের ব্যবস্থা নিত, তাহলে পানি পচতো না।

মশার প্রজননের সুযোগও কমে যেত। তবে এখন যে মশাটা আছে তার ৯২ ভাগই কিউলেক্স মশা। এই মশার বংশবৃদ্ধি হয় ড্রেন, ডোবা, নর্দমার পচা পানিতে।

তৃতীয় কারণ হিসেবে মশা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়াকে দায়ী করছেন এই কীটতত্ত্ববিদ। তার মতে, কেবল গত ১৮ মাসে নয়; বাংলাদেশে মশার বংশবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কখনোই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশে সাধারণত মশা নিয়ন্ত্রণে যে ফগিং বা ধোঁয়ার ব্যবহার করা হয়, সেটি কার্যকর কোনো সমাধান নয় বলেই মনে করেন বাশার। তিনি বলছেন, এর মাধ্যমে নাগরিকদের কেবল খুশি করার চেষ্টা করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!