শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন এবং শূন্য হওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র যাচাই–বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী আপিল করেননি। ফলে বাছাইয়ে বৈধ ঘোষিত মোট আটজন প্রার্থী আপাতত নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আপিল করার সময়সীমা ছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো আপিল জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইন শাখার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের সাধারণ নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. মাসুদুর রহমান রয়েছেন। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে একজন করে প্রার্থী এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
অন্যদিকে শূন্য হওয়া বগুড়া-৬ সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ আসনে বিএনপি থেকে মো. রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামী থেকে মো. আবিদুর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
গত ৫ মার্চ এ দুটি আসনের মনোনয়নপত্র বাছাই সম্পন্ন হয়। এরপর ৬ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত আপিল করার সুযোগ থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ আপিল করেননি।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ মার্চ। এরপর ১৫ মার্চ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এ দুটি আসনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

