× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম

তামাক আইন পাসের দাবি ১৪ বিশেষজ্ঞের

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৬, ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশে তামাকজনিত মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি রোধে তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশটিকে আরও শক্তিশালী করে দ্রুত আইনে পরিণত করার দাবি জানিয়েছেন দেশের ১৪ জন বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। 

সোমবার (১৬ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান কারণ হলো তামাক। বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির গবেষণার তথ্য মতে, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাকজনিত রোগে ভোগেন। টোব্যাকো এটলাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ লাখ ৯৯ হাজার মানুষ তামাকের কারণে মারা যান এবং পঙ্গুত্ব বরণ করেন প্রায় ৪ লাখ মানুষ। এছাড়া পরোক্ষ ধূমপানের প্রভাবে বার্ষিক ২৫ হাজার মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন এবং ৬১ হাজার শিশু বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালী করার সরকারি উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে তামাক কোম্পানিগুলো নানা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। বিশেষ করে, আইন কঠোর হলে রাজস্ব আয় কমবে বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তথ্য উপাত্ত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৫ সালে আইন পাসের পর ২০১৩ সালে তা সংশোধন করা হয়েছিল। এতে ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তামাকের ব্যবহার ১৮ শতাংশ কমেছে। অথচ একই সময়ে তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর বৃদ্ধির ফলে গত ২০ বছরে এই খাত থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৪ গুণ।

বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রে জনস্বাস্থ্য ও জীবনের চেয়ে রাজস্ব আয় কখনোই বড় হতে পারে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মুনাফাখোর তামাক কোম্পানিগুলো তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করতে রেস্টুরেন্টে ধূমপানের এলাকা তৈরি, খুচরা শলাকা বিক্রি সচল রাখা এবং গোপনে ভেপিং মেলার মতো অপকৌশল চালাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনীতে ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করা, সিগারেটের খুচরা শলাকা বিক্রি বন্ধ এবং তামাক বিক্রির জন্য আলাদা লাইসেন্স গ্রহণের বিধান যুক্ত করা হলে আইনটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী ১৪ জন বিশেষজ্ঞ হলেন— বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বিএসএমএমইউ-এর পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল হক, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনস্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. দীপক কুমার মিত্র, স্টেট ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমীন ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ার হোসেন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. খালেদা ইসলাম।

এতে আরও স্বাক্ষর করেন— বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেসের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এম. এইচ. ফারুকী ও সহযোগী অধ্যাপক পলাশ চন্দ্র বনিক, হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. লেলিন চৌধুরী, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র রিসার্চ ম্যানেজার জুনায়েদ আল আযদী ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ডা. দীপা বড়ুয়া।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!