ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৩:০৫ এএম
পদ্মায় দুর্ঘটনাকবলিত বাস

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নানা প্রশ্নের পাশাপাশি নতুন তথ্য উঠে এসেছে—দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি চালকই চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাসচালক আরমান খান (৩১) নিজেও নিহত হন। 

তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পশ্চিম খালখুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে। দুর্ঘটনার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরির অপেক্ষায় থাকা ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর যাত্রীবাহী বাসটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাসটি ফেরিতে ওঠানোর সময় চালকই স্টিয়ারিংয়ে ছিলেন। এক যাত্রী দাবি করেন, তিনি চালকের কোমরে ড্রাইভিং লাইসেন্স ঝুলতে দেখেছেন।

তবে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। স্থানীয় মেকানিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাসটির ব্রেকিং সিস্টেমে (এয়ার প্রেশার) সমস্যা ছিল। তাদের মতে, কিছু ক্ষেত্রে ইঞ্জিন বন্ধ বা স্টার্টের পরপরই ব্রেক পর্যাপ্ত চাপ তৈরি করতে পারে না, ফলে নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি থাকে।

সৌহার্দ্য পরিবহনের এক চালক বলেন, গাড়ি স্টার্টে থাকলে হাওয়া থাকে, কিন্তু স্টার্ট বন্ধ হলে চাপ কমে যায়। মিটারে নজর না দিলে বোঝা যায় না ব্রেকে হাওয়া আছে কি না। হয়তো চালক সেটি খেয়াল করেননি।

অন্যদিকে বাসের এক মেকানিক জানান, ব্রেক সিস্টেম পুরোপুরি এয়ারচালিত হওয়ায় চাপ না থাকলে চালকের পক্ষে গাড়ি থামানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।