× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

বিজ্ঞানভিত্তিক সমন্বিত উদ্যোগেই সম্ভব মাদক প্রতিরোধ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

মাদক প্রতিরোধে বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাব্সটেন্স ইউজ প্রোফেশনালস (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ইয়ুথ ভয়েস ফর এভিডেন্স বেসড প্রিভেনশন: প্রিভেন্ট, ডোন্ট প্রোমোট’ শীর্ষক সেমিনারে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিশোর ও তরুণ বয়সেই মাদকের প্রতি কৌতূহল এবং ঝুঁকি গ্রহণের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই বয়সেই সঠিক তথ্য, জীবনদক্ষতা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান এবং সাইকোথেরাপি ও সাইকিয়াট্রির অধ্যাপক ডা. এম এ মোহিত কামালের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ গোলাম আজম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল ও কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক। এছাড়া বক্তব্য দেন আইস্যাপ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মেম্বার সেক্রেটারি এবং ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ।

এ সময় তারা মাদক প্রতিরোধে প্রথাগত পদ্ধতির পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক ও প্রমাণভিত্তিক কৌশল গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যা নয়; এটি সমাজ ও আগামী প্রজন্মের স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি।

বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি নির্মূলে শুধু চিকিৎসা নয়, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়াকেও আরও সহজলভ্য এবং তরুণবান্ধব করতে হবে। সমাজে মাদকের সহজলভ্যতা কমানো এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের সমন্বিত অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। একটি সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক ও মানবাধিকারসম্মত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগই মাদক প্রতিরোধের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।

সেমিনারে ঢাকা আহছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলীর সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের সমন্বয়কারী মারজানা মুনতাহা।

এ সময় মাদকের দিকে তরুণদের ঝুঁকে পড়ার প্রধান কারণ হিসেবে পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক স্বাস্থ্যের সংকট, সহপাঠীদের নেতিবাচক প্রভাব এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতাকে চিহ্নিত করা হয়। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় পরিবারকে প্রতিরোধের প্রথম স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে তরুণদের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা তৈরির আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনা প্রণয়নে যুবকদের সম্পৃক্ত করার কথাও জানান বক্তারা। এছাড়া ইয়ুথ ডিক্লিয়ারেশন হস্তান্তরের মাধ্যমে তরুণরা মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রমের সুপারিশ তুলে ধরে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!