বাংলা নতুন বছরে কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের দিনে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এই নীতিতে সরকার কাজ করছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক পাবেন। পাশাপাশি সহজ শর্তে কৃষি ঋণসহ মোট ১০ ধরনের সরকারি সুবিধা সরাসরি এই কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী ক্ষমতা গ্রহণের দুই মাসের মধ্যেই এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হলো। প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় প্রি-পাইলটিং চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশব্যাপী প্রায় এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষক পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
কৃষকদের পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে একটি সমন্বিত ডেটাবেজ তৈরি করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে কৃষি সহায়তা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও দ্রুত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ড শুধু আর্থিক সহায়তার মাধ্যম নয়, এটি কৃষকের আত্মনির্ভরতার একটি নতুন পথ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে সেচ সুবিধা, কৃষিযন্ত্রে ভর্তুকি এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি সেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন