ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আর্থিক সুবিধা পাবে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে যে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, তা অপ্রাসঙ্গিক। যেসব শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে, তারা ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা পাবে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ায় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহরের একটি হোটেলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, অনেকেই প্রশ্ন করছেন শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উঠে গেছে, তাদের বই নেই, তাহলে কেন বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাদের প্রয়োজন নেই তারা পরীক্ষা না দিলেও পারে; বৃত্তির সুযোগ তাদের জন্য, যারা এ সুবিধা পেতে চায়।

তিনি আরও বলেন, গত বছর বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। দায়িত্ব নেওয়ার পর সময় নষ্ট না করে নিজ উদ্যোগে এ কার্যক্রম চালু করেছেন। তবে এ উদ্যোগ নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে, যা তিনি প্রত্যাশা করেননি।

প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ধীরে ধীরে দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে গুরুত্ব বাড়ানো হবে।

তিনি জানান, সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তবে এই অর্থ কীভাবে কার্যকরভাবে ব্যয় করা হবে, তা নির্ধারণে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন।

ইন-হাউজ কোচিং বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে কোচিং চালু রাখা যেতে পারে, যেখানে শিক্ষার্থীদের দেওয়া অর্থ শিক্ষকরা ভাগ করে নিতে পারেন। তবে বাণিজ্যিক কোচিং নিরুৎসাহিত করা হবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।