× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, কোথাও কোথাও ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ০৫:১৯ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সঙ্গে সঙ্গে দেশে লোডশেডিং পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। রাজধানীর তুলনায় মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের সংকট সবচেয়ে বেশি প্রকট। কোথাও কোথাও দিনে ও রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।

বিবিসি বাংলার তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাইরের জেলাগুলোতে গত কয়েক দিনে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হয়েছে। মেহেরপুরের আমঝুপি এলাকার ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান লিটন বলেন, রাত থেকে ভোর পর্যন্ত চার-পাঁচবার বিদ্যুৎ যায়। দিন-রাতের অর্ধেকের বেশি সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। গড়ে ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য বলছে, বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ৩০ থেকে ৪৬ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি রয়েছে। লালমনিরহাট, চট্টগ্রাম ও মেহেরপুরের গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি খারাপ। তুলনামূলকভাবে শহর এলাকায় দিনে দুই থেকে তিনবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সাম্প্রতিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে সারা দেশে লোডশেডিং ১ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলের শুরু থেকে দেশে দিনে ও রাতে গড়ে ১২ থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে উৎপাদন ছিল ১৪ হাজার ৮০ মেগাওয়াট, বিপরীতে চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৮০০ মেগাওয়াট। সে সময় লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৮৮ মেগাওয়াট।

পরদিন বুধবার বিকেল তিনটায় চাহিদা ছিল ১৪ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট, বিপরীতে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৬৭০ মেগাওয়াট। সে সময় লোডশেডিং বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৪৩ মেগাওয়াট, যা এ মাসে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি কয়েকটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে। বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার কারণে কয়লা ও তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, ফলে চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম. তামিম বলেন, ফার্নেস অয়েল ও গ্যাসের তীব্র সংকটের পাশাপাশি বকেয়া পরিশোধের জটিলতার কারণে জ্বালানি আমদানিতেও প্রভাব পড়ছে, যা লোডশেডিং বাড়াচ্ছে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকার অফিস সময় কমানো ও শপিংমল দ্রুত বন্ধের মতো উদ্যোগ নিলেও তীব্র গরমে বাড়তি চাহিদার কারণে পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হচ্ছে না। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পকারখানার উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পুনরায় চালুর চেষ্টা চলছে। তবে গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির সম্ভাবনা কম।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!