× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১০:৪৪ এএম

পে-স্কেল বাস্তবায়নে যে পথে এগোচ্ছে সরকার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১০:৪৪ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি একবারে নয়, বরং দুই ধাপে কার্যকর করার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী জুন মাস থেকেই প্রথম ধাপের সুবিধা কার্যকর হতে পারে। এই ধাপে কর্মচারীদের মূল বেতনের একটি নির্দিষ্ট অংশ বৃদ্ধি এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাতা সমন্বয় করা হবে।

দ্বিতীয় ধাপে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের শুরুতে পূর্ণাঙ্গ নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের ওপর হঠাৎ বড় ধরনের আর্থিক চাপ এড়াতেই এই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও বাজেট ঘাটতির কারণে একবারে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ভারসাম্যপূর্ণ পদক্ষেপ মুদ্রাস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের কিছুটা আর্থিক স্বস্তি দেবে।

বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় সামাল দিতে এই আংশিক সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জানা গেছে, নবম পে-স্কেলের খসড়া ইতোমধ্যে প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে এবং এটি এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী জুনের বাজেটকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় বাজেট পুনর্বিন্যাসের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

সরকারের এই উদ্যোগে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশ এটিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার আংশিক সফলতা হিসেবে দেখছেন, অন্য অংশের মতে এটি কেবল সাময়িক সমন্বয়।

বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলন করছেন, তারা দ্বিতীয় ধাপের সময়মতো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পে-স্কেল অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পে-স্কেলের জন্য বরাদ্দ অর্থের একটি অংশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভর্তুকি ও কর্মসূচিতে ব্যয় করা হয়েছে। ফলে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে অর্থায়নের চাপ বাড়ছে।

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে এক ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন।

Link copied!