× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১২:১১ পিএম

ক্লিন সিটি গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১২:১১ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে রূপান্তর করতে সরকারের পক্ষ থেকে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নগর পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়মিত জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের লক্ষ্যে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনগুলো উন্নত করা হচ্ছে এবং সবুজায়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সড়কের মিডিয়ান, দ্বীপ ও উন্মুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলকে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘জিরো ওয়েস্ট’ ধারণা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় নগর বনায়ন কর্মসূচি, বিশেষ করে ‘মিয়াওয়াকি’ পদ্ধতিতে বন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় পাঁচ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মেট্রোরেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচের খালি স্থানেও বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর ও ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু এবং ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস নামানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বায়ুদূষণের প্রধান উৎসগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

অবৈধ ইটভাটা বন্ধে জোরদার অভিযান চালানো হচ্ছে এবং ঢাকার আশপাশের দূষণপ্রবণ এলাকাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সাভার উপজেলাকে ডিগ্রেডেড এয়ারশেড ঘোষণা করে সেখানে ইটভাটা ও খোলা স্থানে বর্জ্য পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নদী, খাল ও জলাশয়ের দূষণ রোধে শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শতাধিক প্রতিষ্ঠানে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে এবং দূষণ পর্যবেক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদীর দূষণের উৎসও নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, ঢাকার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে হাজার হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আগামী বছরগুলোতে বড় পরিসরে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!