× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ৬, ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : সংগৃহীত

ব্যবসার খরচ কমাতে সরকার চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, এলডিসি উত্তরণকে মাথায় রেখে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএ’র যৌথ উদ্যোগে সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সার্কুলার অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে এটি সহায়ক হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সার্কুলার অর্থনীতিতে (বৃত্তাকার অর্থনীতি) রূপান্তর এখন আর কেবল পরিবেশগত কোনো আলোচনার বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের শিল্পখাতের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত।
 
তিনি বলেন, বিশ্ববাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। টেকসই উৎপাদন এখন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম নির্ধারক। ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও ভোক্তারা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহী, যা দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার পরিচয় বহন করে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘সুইচ টু সার্কুলার ইকোনমি’ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত পাইলট কার্যক্রম এরই মধ্যে প্রমাণ করেছে যে সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর কোনো কল্পনাপ্রসূত ধারণা নয়; এটি বাস্তবসম্মত, অর্জনযোগ্য এবং এর বাস্তবায়ন এরই মধ্যে শুরু হয়েছে।

সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে সেমিনারে উদ্যোক্তারা জানান, বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান তারা। দেশে তৈরি পোশাক খাত থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন টেক্সটাইল বর্জ্য উৎপাদিত হয়। এর মাত্র ৫ শতাংশ পুনর্ব্যবহার করতে পারেন উদ্যোক্তারা।

টেক্সটাইল বর্জ্যের প্রক্রিয়াকরণ সংকট নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে শিল্প ও পরিবেশে। তাই সক্ষমতা বাড়িয়ে কাঁচামালের অপচয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই সমাধান চান উদ্যোক্তারা।

ইইউ’র রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণ হলে স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। বিশেষ বাজার সুবিধা শেষ হয়ে যাবে।

এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!