ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

‘অটিজমে আক্রান্তদের পূর্ণ মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে’

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৯:৪৮ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রতিটি নাগরিকের মতো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও সমাজে সম্মান ও সমঅধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার বিকল্প নেই। তিনি এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’ কে সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি, তাদের পরিবার, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, উদ্ভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংগঠনগুলোর প্রতি শুভেচ্ছা জানান।

বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে অটিজম ও স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। এ বাস্তবতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় আইন বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, খেলাধুলায় আগ্রহী অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষ যাতে প্যারা-অলিম্পিকে অংশ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ, মানবিক দায়বদ্ধতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব, যেখানে সব মানুষ বৈচিত্র্য সত্ত্বেও সমান সুযোগ, সম্মান ও মর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারবেন।