ঈদুল আজহার ছুটি এখনো শেষ হয়নি। তবে কর্মস্থলে যোগদান ও ভিড় এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন।
শনিবার (৩০ মে) সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, ধীরে ধীরে বাড়ছে ফিরতি যাত্রীদের চাপ।
স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। ট্রেন থেকে নেমেই অনেকে দ্রুত ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে স্টেশন ত্যাগ করছেন। ফলে প্ল্যাটফর্ম ও স্টেশন চত্বরে সৃষ্টি হয়েছে বাড়তি কর্মচাঞ্চল্য। ব্যস্ত সময় পার করছেন কুলিরাও।
এদিকে ফিরতি যাত্রার পাশাপাশি এখনো অনেকে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা ও পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে ঈদের প্রথম দিনগুলোতে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরা বেসরকারি চাকরিজীবী সোহেল রানা বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে এবার কর্মস্থলে ফেরার পালা। সামনে অফিস শুরু হওয়ায় একদিন আগেই ঢাকায় চলে এসেছেন।
আরেক যাত্রী ইমান আলী জানান, ছুটি শেষ হওয়ার আগেই ফিরে এসেছেন তিনি। কারণ শেষ মুহূর্তে যাত্রীচাপ বেড়ে গেলে পরিবার নিয়ে যাত্রা করা কষ্টকর হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে সিলেটগামী যাত্রী হামিদ বলেন, পেশাগত দায়িত্বের কারণে ঈদের সময় ছুটি পাননি। ঈদের ডিউটি শেষ করে এখন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ি যাচ্ছেন।
স্টেশনে দায়িত্ব পালনকারী নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, সকালে যাত্রীচাপ কিছুটা বেশি ছিল। তবে প্রকৃত ফিরতি যাত্রার ঢল এখনো শুরু হয়নি। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে যাত্রীসংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা তাদের।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার ঈদযাত্রার মতো ফিরতি যাত্রাও স্বস্তিদায়ক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্টেশনে অতিরিক্ত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।


