আগস্ট মাসে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য তৈরি হয়েছে টানা চার দিনের ছুটির সম্ভাবনা। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর সরকারি ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হওয়ায় মাঝখানে মাত্র একদিনের ছুটি ব্যবস্থা করতে পারলেই মিলতে পারে দীর্ঘ অবকাশের সুযোগ।
এর সঙ্গে সপ্তাহান্তের দুইদিনের সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মাঝখানের মাত্র একদিনের ব্যবধানে এই দীর্ঘ অবকাশের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ঘোষিত সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৬ আগস্ট বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর নির্ধারিত সাধারণ ছুটি। এর দুদিন পর অর্থাৎ ২৮ আগস্ট শুক্রবার ও ২৯ আগস্ট শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে মাঝখানের ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার কোনোভাবে ছুটি (নৈমিত্তিক বা অর্জিত) নিতে পারলে বা বিকল্প ব্যবস্থা করতে পারলে টানা চারদিন কর্মস্থল থেকে দূরে থাকার সুযোগ পাবেন চাকরিজীবীরা।
সাধারণত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ থাকে। তবে জনস্বার্থে জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস সরবরাহের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাকসেবা চালু থাকবে। এ ছাড়া হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা সংশ্লিষ্ট কর্মী, ওষুধ ও জরুরি সরঞ্জাম পরিবহন এবং জরুরি কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা যথারীতি দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রসঙ্গত, প্রতি বছরের মতো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে, উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতগুলোর ছুটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
বাংলাদেশের প্রচলিত সরকারি ছুটির নিয়মানুযায়ী, সপ্তাহের মাঝে কোনো উৎসবের ছুটি পড়লে এবং তার দু-একদিন পরই সাপ্তাহিক ছুটি থাকলে অনেক চাকরিজীবীই বাড়তি ছুটি নিয়ে দীর্ঘ অবসরের সুযোগ তৈরি করেন। এবারের ২৬ আগস্টের ছুটির ক্ষেত্রেও একই প্রেক্ষাপট তৈরি হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে পুরো বিষয়টি পবিত্র মিলাদুন্নবীর চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।

