× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত না করার কারণ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত না করার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং মাঠ প্রশাসনের মতামতের ভিত্তিতেই পরীক্ষা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

এর আগে রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন বড় শহর পানির নিচে তলিয়ে যায়। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর অনুরোধ করলেও সরকার সেই সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর ফলে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছে। এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এক-দুই দিন পিছিয়ে দিতে কী সমস্যা ছিল, তা জানতে চান তিনি।

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা সারা দেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ২ হাজার ৭০০টি কেন্দ্রে ৬৪ জেলায় একই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পর্যায়ক্রমে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং পরে পুরো চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল।

তিনি জানান, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার, আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে আর ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়। বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরদিন সকালে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় প্রশাসনকে পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে কলেজের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়। একজন পরীক্ষার্থীর কাপড় ভিজে যাওয়ায় তার বাড়ি থেকে নতুন কাপড় এনে দেওয়া হয় এবং তাকে এক ঘণ্টা পরে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও পুলিশ প্রশাসন প্রয়োজনে স্থানীয়ভাবে কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা স্থগিত বা স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, কুমিল্লার ওই একটি কেন্দ্র ছাড়া দেশের অন্য কোথাও দুর্যোগজনিত কারণে পরীক্ষা গ্রহণে সমস্যা হয়নি।

শিক্ষার্থীদের প্রতি সরকারের সহমর্মিতার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারেরও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য সমান উদ্বেগ রয়েছে। সে কারণেই সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Link copied!