× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম

গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে আরও ১০–১৫ দিন লাগতে পারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি : সংগৃহীত

দেশের চলমান গ্যাস সংকট পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (বিআইপিএসএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, একটি ভাসমান এলএনজি (এফএসআরইউ) টার্মিনালে আগুন লাগার কারণে এলএনজি খালাস ব্যাহত হয়েছে। এতে দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ মেরামতের কাজ চলছে। তবে মেরামত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলএনজি কার্গো খালাস সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় রান্নার গ্যাসের চাপ কমে গেছে। পাশাপাশি গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনায়ও সমস্যা দেখা দিয়েছে।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে আমদানিকৃত এলএনজি গ্যাসে রূপান্তরের জন্য দেশের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এর একটি পরিচালনা করে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জি এবং অন্যটি পরিচালনা করে সামিট। গত মঙ্গলবার এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালিত টার্মিনালে আগুন লাগার পর থেকেই গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য বিঘ্ন দেখা দেয়।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাংলাদেশকে বর্তমানে এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে এ খাতে ব্যয়ও বেড়েছে। গত ছয় মাসে প্রায় ৩ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি করতে হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে।

বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের আমল থেকে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিল বকেয়া রয়েছে। এসব বিল পরিশোধে সরকারকে নিয়মিত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।

সংকট মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সরকার সম্প্রতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতি ঘোষণা করেছে। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী আগস্টের মধ্যেই এ-সংক্রান্ত দর-কষাকষি ও জমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

Link copied!