× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম

শর্ত পূরণ, নির্বাচনি লড়াইয়ে তাসনিম জারা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন ডা. তাসনিম জারা। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন ডা. তাসনিম জারা। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রয়োজনীয় নির্বাচনি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন ডা. তাসনিম জারা। ফলে শঙ্কা কাটিয়ে ভোটের মাঠে লড়তে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করলেন তিনি।  

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তিনি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তার মনোনয়নপত্র ও সংগৃহীত ভোটারের স্বাক্ষর সংবলিত তালিকা জমা দেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিধি অনুযায়ী, কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ওই নির্বাচনি এলাকার মোট নিবন্ধিত ভোটারের অন্তত ১ শতাংশের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হয়।

ঢাকা-৯ আসনে মোট ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ জন ভোটারের বিপরীতে তাসনিম জারাকে ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে হয়েছে। গত রোববার খিলগাঁও ও বাসাবো এলাকায় বুথ স্থাপন করে তিনি এই কার্যক্রম শুরু করেন।

সোমবার দুপুরের মধ্যেই তার দল নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ডা. তাসনিম জারার নাম ঢাকা-৯ আসনের জন্য ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনি জোট গঠনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি গত শনিবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে পদত্যাগ করেন। 

এরপর তিনি কোনো জোট বা দলের হয়ে নয়, বরং সরাসরি জনগণের প্রার্থী বা ‘স্বতন্ত্র’ হিসেবে লড়ার ঘোষণা দেন। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, স্বতন্ত্র প্রার্থীর দাখিল করা এই ১ শতাংশ স্বাক্ষর এখন কমিশন থেকে যাচাই-বাছাই করা হবে। এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হলে তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ বলে গণ্য হবে এবং তিনি নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ পাবেন।

Link copied!