ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, হাঁস উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সততার মার্কা, সাহসের মার্কা। আপনারা যদি পাশে থাকেন, আপনাদের দোয়া যদি আমার মাথার ওপর থাকে, আপনাদের ভোট যদি আমার সঙ্গে থাকে, ইনশাল্লাহ কোনও শক্তি নাই হাঁসকে পরাজিত করবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ডাকাবাংলো মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আলোচিত এই নেত্রী হাঁস প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, আপনাদের কাছে আমার ছোট্ট একটা অনুরোধ, আপনাদের বাবা-চাচার ভোটে আমার বাবা অলি আহাদ নির্বাচিত হয়েছিল। কাজ করতে পারে নাই। তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে কারসাজি করে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছিল। আগামী ১১ তারিখ বিকেল থেকে ১২ তারিখ বিকেল পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্র আপনার পাহারা দিবেন। আমার একটা হাঁসও যেন কোনও শিয়ালের বাচ্চা চুরি করতে না পারে।
তিনি বলেন, আমি কোনও কথা বলি নাই, আমি কাজ করেছি। আমি কোনও বড়-বড় হুমকি-ধমকি দেই নাই। আল্লাহর রহমতে আপনাদের দোয়ায় আমার বাপের দুইটা ইউনিয়ন, আমার বাপ-দাদার ভিটা। আমার দাদা-দাদির কবর। আপনাদেরকে আমি আমার সঙ্গে আনতে চাইছি। এটা যদি দোষ হয়ে থাকে, আপনার ঘরের মেয়ে হিসেবে আপনারা আমার বিচার করবেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। পুলিশ প্রশাসনসহ সবাইকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া আছে, যেখানে যাই হোক না কেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যেন কোনও ধরনের কারচুপি না হয়। এই আসনের দিকে মিডিয়ার নজর থাকবে, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নজর থাকবে। দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোর নজর থাকবে। সুতরাং, কেউ যদি মনে করে একটা ব্যালট পেপার তারা জাল করবে, তারা পরিস্কার জেনে রাখুন, তাদেরকে সমুচিত জবাব দেবে আমার ভোটাররা।
রুমিন বলেন, এক মামলা নিয়ে যারা ১৪ রকম কথা বলে এবং শেষমেশ ঘরের চিপায় গিয়ে লুকায়, তাদের ভয়ভীতিকে পাত্তা দেওয়ার কিছু আছে। আমার একটা ভোটারের পশম পড়ার আগে, আমাকে আঘাত করতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে আমি আলাপ করেছি, কোনও রকম ভুয়া মামলা কারো বিরুদ্ধে হবে না। কোনোভাবেই কাউকে হয়রানি করা হবে না। আর সকল কেই বলি, কোন দল সরকার গঠন করবে এটা কিন্তু এখনও বলা যায় না। সুতরাং, বেশি বেশি লইরেন না। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি মানুষের ফায়সালা কি হয় আল্লাহই ভাল জানেন।


