× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১১:১৩ এএম

ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত ‘নব্য ফ্যাসিজমের বাস্তবায়ন’ : সাদিক কায়েম

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ১১:১৩ এএম

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। ছবি : সংগৃহীত

ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। ছবি : সংগৃহীত

ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে ‘নব্য ফ্যাসিজমের বাস্তবায়ন’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি।

পোস্টে সাদিক কায়েম প্রশ্ন তোলেন, কার নির্দেশে ও কার প্রভাবে নির্বাচন কমিশন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি লেখেন, ভোটকেন্দ্র এলাকায় মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হলে সাধারণ ভোটার, সাংবাদিক এমনকি নাগরিক সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহের অধিকার খর্ব হবে। ফলে ভোটকেন্দ্রে কোনো অনিয়ম বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার দৃশ্যমান প্রমাণ সংগ্রহ করা সম্ভব হবে না।

তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্ত কার্যত নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকার কেড়ে নেওয়ার শামিল। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দেশের তরুণ সমাজকে উদ্দেশ করে সাদিক কায়েম প্রশ্ন ছুড়ে দেন, কারা তরুণদের ভয় পায় এবং কারা নাগরিকদের সত্য জানার সুযোগ থেকে বঞ্চিত রাখতে চায়? তিনি তরুণদের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি নতুন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের হাতেই।

নির্বাচন কমিশনের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে কেবল প্রিসাইডিং অফিসার, সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইনচার্জ এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার সদস্য মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন। এই তিন শ্রেণির বাইরে অন্য কেউ মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এ সিদ্ধান্তে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ, ভোটগ্রহণের দিন ছবি তোলা ও তথ্য সংগ্রহে অধিকাংশ সাংবাদিক মোবাইল ফোনের ওপর নির্ভর করে থাকেন।

সাদিক কায়েম তার পোস্টে বলেন, নির্বাচন কমিশন কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য নয়; বরং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠিত। তাই নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার ক্ষুণ্ন করে এমন সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

Link copied!