× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

দুই ব্যাংকে আসিফের ১০ লাখ, স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৬১৩ টাকা 

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ছবি- সংগৃহীত

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। ছবি- সংগৃহীত

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের জবাবে ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। তিনি জানিয়েছেন, তার দুইটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট জমা রয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা, আর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে আছে মাত্র ৬১৩ টাকা। 

বুধবার ( ৪ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের আর্থিক হিসাব তুলে ধরেন। 

সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি ১৬ মাস দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সময় তার গড় মাসিক বেতন ছিল ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধার সব লেনদেন তার সেলারি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়েছে। বর্তমানে ওই অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬২৬ টাকা।

তিনি জানান, সব মিলিয়ে তার সেলারি অ্যাকাউন্টে মোট ক্রেডিট হয়েছে ৮৫ লাখ ৮১ হাজার টাকা এবং ডেবিট হয়েছে ৭৬ লাখ ৩ হাজার টাকা। এছাড়া সোনালী ব্যাংকে থাকা তার ব্যক্তিগত সেভিংস অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৯ হাজার ৯৩০ টাকা। দুটি অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে তার মোট জমার পরিমাণ ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৫৬ টাকা।

পরিবারের সদস্যদের হিসাব তুলে ধরে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, তার স্ত্রীর একমাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৬১৩ টাকা। তার বাবার পাঁচটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ক্রেডিট রয়েছে ৫ লাখ ৪৭ হাজার ৭১১ টাকা। তবে শিক্ষক হিসেবে নেওয়া ১০ লাখ টাকার সার্ভিস লোনের বিপরীতে এখনো বাকি রয়েছে ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। ফলে হিসাব অনুযায়ী তার বাবা বর্তমানে প্রায় ৮২ হাজার ৩৫ টাকা দেনায় আছেন। এ ছাড়া তার মায়ের একমাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে ২১ হাজার ১৫৪ টাকা।

আসিফ মাহমুদ বলেন, উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগের সময় তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তার আয় ও সম্পদের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জমা দিয়েছেন। এরপরও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হলে তিনি নিজের ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন, যাতে এ বিষয়ে আর কোনো প্রশ্ন না থাকে।

Link copied!