সিজন ও চেয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সরকারের মেন্টালিটি চ্যাঞ্জ হয়ে গেছে। সরকার যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে প্রয়োজনীয় সংস্কার থেকে পিছিয়ে যায়, তবে জুলাইয়ের মতো আরেকটি অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি শুরু করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর কাওরান বাজারের বিডিএল ভবনে ‘ভয়েস অব রিফর্ম’ আয়োজিত নাগরিক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, যারা চব্বিশে রাস্তায় নেমেছিল তারা কাউকে এমপি-উপদেষ্টা বানানোর জন্য রাস্তায় নামেনি। তারা রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তনের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছিল।
তিনি বলেন, সরকারকে স্ট্রাকচারাল জায়গায় এক হতে হবে। এটি থেকে সরে আসলে চব্বিশ আবারও হবে। কোনো না কোনোভাবে হয়তো সে প্রস্তুতি হচ্ছে। বাট চব্বিশ হবে। মেজরিটি দিয়ে আটকানোর সুযোগ নেই।
এনসিপির এই নেতা বলেন, যদি মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হয়, তবে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার মতো বিষয়গুলোর তদন্তের ভার পুলিশের হাতেই থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।
রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন না হলে জাতি আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারগুলোর কষ্টের কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল, যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হাওয়া করে দেওয়া হবে না।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দিনশেষে আমরা সবাই সুবিধাভোগী হয়েছি। সাধারণ মানুষের এ নির্বাচনের পর কোনো লাভ হয়নি। কিন্তু আমার চাই, রাষ্ট্র আমাদের থেকে কিছু পাক; জনগণ আর আশাহত না হোক, এটাই আমাদের আশা।


