× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০২:০৩ এএম

ঢাকা উত্তর মহানগর যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় কে এই রাকিবুল বাশার বনি

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২৩, ২০২৬, ০২:০৩ এএম

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সভাপতি পদে সম্ভাব্য আলোচিত নেতাদের তালিকায় উঠে এসেছে মো. রাকিবুল বাশার বনির নাম।

দীর্ঘদিনের ছাত্ররাজনীতি, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রাম, হামলা-মামলা মোকাবিলা এবং বিএনপি-যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তৃণমূলের একটি অংশের কাছে তিনি ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এই নেতা গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে বিএনপির আন্দোলনে মাঠে সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের হরতাল-অবরোধ, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে সংগঠনের ভেতরে তার একটি পরিচিত অবস্থান তৈরি হয়েছে।

রাকিবুল বাশার বনির রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের মাধ্যমে। ২০০২ সালে তিনি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। পরে ২০০৩ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে কলেজভিত্তিক ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

পরবর্তীতে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক হন। এরপর যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের দুই দফা কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে শরীফ উদ্দিন জুয়েল ও সাজ্জাদুল মিরাজ নেতৃত্বাধীন কমিটিতে এবং এর আগে মিলটন-পাপেল নেতৃত্বাধীন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন।

সাম্প্রতিক সময়েও তাকে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কর্মসূচিতে সক্রিয় দেখা গেছে। রাজধানীতে আওয়ামী লীগবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে তার উপস্থিতির তথ্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়ান-ইলেভেনের সময় মহাখালী এলাকায় তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের ব্যানারে প্রথম দিকের আন্দোলন সংগঠনে ভূমিকা রাখেন বনি। তার দাবি, সে সময় তার নেতৃত্বে মহাখালী এলাকায় ছাত্রদলের প্রতিরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল।

২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির ডাকা প্রথমদিকের হরতাল কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে মামলার আসামি হন বলেও জানিয়েছেন তার সহকর্মীরা। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি উচ্ছেদের প্রতিবাদে আন্দোলনের সময় জাহাঙ্গীর গেটে পুলিশের জলকামানের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘটনাও তার রাজনৈতিক জীবনের আলোচিত অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন অনুসারীরা।

এ ছাড়া মহাখালীতে তিতুমীর কলেজের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে তার রাজনৈতিক জীবনে। হরতাল-অবরোধ চলাকালে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার শিকার হয়েছেন একাধিকবার বলেও দাবি করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলনে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের কর্মসূচিতেও তাকে নিয়মিত দেখা গেছে। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দেশব্যাপী সফরে সফরসঙ্গী হিসেবেও অংশ নেন তিনি। রাজশাহী, খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক হামলার মুখোমুখি হওয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ঘনিষ্ঠ নেতারা।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর হাজিরার দিনগুলোতে আদালত প্রাঙ্গণে নিয়মিত উপস্থিত থাকতেন তিনি। এছাড়া গুলশানে খালেদা জিয়া অবরুদ্ধ থাকাকালে তার নেতৃত্বে মিছিল সংগঠিত হয়েছিল।

সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনেও রাজধানীর রামপুরা এলাকায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন রাকিবুল বাশার বনি। আন্দোলনকেন্দ্রিক কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ তাকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

২০২৫ সালে যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সম্প্রসারিত তালিকায়ও রাকিবুল বাশার বনির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়, যা তার সাংগঠনিক অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

দলীয় একাধিক সূত্রের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, রাজপথকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং দুঃসময়ে সক্রিয় থাকার কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি পদের আলোচনায় এখন গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে রাকিবুল বাশার বনির নাম। তবে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কাকে দায়িত্ব দেবে, তা নির্ভর করবে রাজনৈতিক সমীকরণ, সাংগঠনিক মূল্যায়ন ও দলের কৌশলগত সিদ্ধান্তের ওপর।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!