× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

১০ দিনেই সব মামলায় জামিন পেলেন যুবলীগের শওকত

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম

শওকত হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

শওকত হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

গ্রেপ্তারের ১০ দিনের মধ্যেই সব মামলায় জামিন পেয়েছেন খুলনার আলোচিত যুবলীগ নেতা শওকত হোসেন ওরফে কালা শওকত। গত ৫ মার্চ ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।

সোমবার (১৬ মার্চ) সব মামলায় জামিন পান তিনি। তবে রিলিজ অর্ডার দেরিতে পৌঁছানো এবং ছুটির কারণে তার মুক্তি মেলেনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সোহেলের বডিগার্ড হিসেবে উত্থান শওকত হোসেনের। এরপর পদ পান নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতির। পরের সাড়ে ১৫ বছর আওয়ামী লীগ ও শেখ সোহেলের নাম ব্যবহার করে খুলনার টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, দখলবাজিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। বলা হয়, খুলনার শেখবাড়িকে ডোবাতে যারা ভূমিকা রেখেছেন, তাদের সবার ওপরে ছিল শওকতের নাম। এই বাড়ির নাম ভাঙিয়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা বলেন, ছাদখোলা জিপে দলবল নিয়ে চলাফেরা করতেন শওকত। গায়ের রং কালো হওয়ায় স্থানীয়রা তাকে ‘কালা শওকত’ নামে ডাকতেন। দরপত্র নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবসায়ীদের অপহরণ, মারধর, দরপত্র বাক্স ভেঙে ফেলার মতো অসংখ্য অপরাধে জড়িত ছিলেন শওকত।

খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক তৈমুর ইসলাম বলেন, শওকতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুসহ একাধিক মামলা হয়েছিল। দেড় বছর পালিয়ে থাকার পর গত ৫ মার্চ রাতে রাজধানীর পলওয়েল মার্কেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জামিনের নথিতে আইনজীবী হিসেবে সফিউল আলমের নাম লেখা রয়েছে। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, সফিউল আলম নামে অন্য কেউ হতে পারে। আইনজীবী সমিতির সদস্য তালিকায় আর কোনো সফিউল আলম পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। 

খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এ কে এম শহিদুল আলম বলেন, জামিনের বিষয়টি আমার জানা নেই। আদালতে খোঁজ না নিয়ে কিছু বলতে পারছি না। এত দ্রুত জামিন উচ্চ আদালত ছাড়া সম্ভব না।

প্রবীণ আইনজীবী ও সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি কুদরত ই খুদা বলেন, মামলা বুঝে জামিন দেওয়া আদালতের এখতিয়ার। তবে এ ধরনের জামিন প্রমাণ করে আইনের যে শাসন আমরা প্রত্যাশা করি, সেটা এখনও অনেক দূরে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, শওকতের গ্রেপ্তার পুলিশের বড় অর্জন ছিল, অনেকে ফোন করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। জামিনের বিষয় পুরোপুরি আদালতের এখতিয়ার। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!