এই দেশ কারো জমিদারি নয়। রাজার ছেলে রাজা হবে, তা আমরা মানি না। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে আর পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি থাকবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা.শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬ টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
ডা.শফিকুর রহমান বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে এখানে এসেছি কোনো গতানুগতিক রাজনৈতিক ভাষণ দিতে নয়। আজ আমি একেবারে মনের ভেতরের কিছু কথা বলতে চাই। যে কথাগুলো একজন জেন-জি, একজন যুবক, আর আমাদের প্রজন্ম সবার সাথে সম্পৃক্ত। একজন মুসলমানের জন্য যেমন, তেমনি আমাদের দেশের অন্য ধর্মের ভাই-বোনদের জন্যও।
তিনি বলেন, আজ আমি এখানে যাদের কারণে কথা বলছি, সেই জুলাইয়ের শহীদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। একই সাথে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদেরও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। জুলাইয়ের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে এখনও বহু মানুষ আহত আছেন আমি তাদের দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করছি। জুলাই হয়েছিল কারণ আমাদের দেশ এক হয়েছিল।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জুলাইতে রাস্তায় নেমেছিল আমার তরুণ বন্ধুরা। রাস্তায় নেমেছিল আমাদের প্রিয় মা-বোন-মেয়েরা। রাস্তায় নেমেছিল শ্রমিক, রিকশাশ্রমিক ভাইয়েরা এবং সকল মেহনতি জনতা। ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তখন এক হয়েছিল। শিক্ষক, প্রকৌশলী, ডাক্তারসহ সব শ্রেণির পেশাজীবী মানুষও রাস্তায় নেমে এসেছিল। দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও সে সময়ে প্রশংসনীয় ভুমিকা পালন করে। আমরা জুলাই আর চাই না; আমরা চাই এমন বাংলাদেশ, যেখানে আর কোনো দিন জনগণকে রাস্তায় নামতে না হয়। আমাদের বুঝতে হবে, জুলাই কেন হয়েছিল। জুলাই হয়েছিল একটা বৈষম্যহীন বাংলাদেশের জন্য। জুলাই হয়েছিল একটা কালো রাজনৈতিক ধারার পরিবর্তনের জন্য। যুগের পর যুগ ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল পরিবারতন্ত্রের হাতে, নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে। সেখান থেকে মুক্তির জন্য।
তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জাতির উপর এমন এক শাসকগোষ্ঠী চেপে বসে যারা মানবাধিকার, ভোটাধিকারসহ সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলে। গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা, আয়নাঘর প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের উপর নিপীড়ন চালায়। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ এর পরপর তিনটি জাতীয় নির্বাচন নামে তামাশার মাধ্যমে আমদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্ছিত রাখা হয়। এই সব নিপীড়ন ও অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্যই এসেছিল রক্তাত জুলাই। আমাদের তরুণরা এখন একটা নতুন দেশ দেখতে চায়। যে দেশকে তারা গর্ব করে বলতে পারবে নতুন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ২.০।
জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, এক কথায় যদি বলি দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। কিন্তু একটি মহল পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ পরিবর্তন হলেই তাদের অপকর্মের পথ বন্ধ হবে, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এই সংস্কৃতি বদলানোর সাহস সবার থাকে না। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর হিম্মত সবার থাকে না। এই হিম্মত দেখিয়েছে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওসমান হাদী ও তাদের সহযোদ্ধারা। তাদের রক্তের শপথ নিয়ে নতুন প্রজন্মের লক্ষ লক্ষ সাহসী সন্তান আজ এই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। এই দেশ আমাদের সময়ের এই সাহসী সন্তানদের হাতেই তুলে দিতে হবে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এই তরুনরা রচনা করবে।
তিনি বলেন, আমরা তোমাদের হাত ধরতে চাই। জুলাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার কাজে সঙ্গী হতে চাই। প্রচলিত ধারা বদলাতে চাই। দেশটা বিভেদ ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকুক, মানুষের জীবনে শান্তি ফিরুক। এই আমাদের চাওয়া। সবাইকে নিয়ে ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে। এমন বাংলাদেশ যেখানে কেবল পারিবারিক পরিচয়ে কেউ দেশের চালকের আসনে বসতে পারবে না। এমন বাংলাদেশ যেখানে রাষ্ট্র হবে সবার, সরকার হবে জনগণের।
জামায়াত আমির বলেন, জনগন চায় একটু নিরাপত্তা সুশাসন ও ইনসাফ । তাই আগামীর বাংলাদেশকে এসব অঙ্গীকার ও মূল্যবোধের আলোকে সাজাতে চাই। রাষ্ট্রের মৌলিক কিছু সংস্কারের লক্ষ্যে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সরকার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করে; কিন্তু এসব পরিকল্পনার সবগুলো যেমন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি তেমনি অনেকগুলো একদমই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাত ও প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়ের দাবী এবং এ সংস্কার প্রক্রিয়াকে জারি রাখাসহ সংস্কার নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। এ গণভোট জনগণের সাধারণ ইচ্ছা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। এই গনভোটে হ্যা এর পক্ষে ভোট চাই।
তিনি বলেন, নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্খার আলোকে আমাদের পরিকল্পনা, কর্মসূচি ও অঙ্গীকার আপনাদের নিকট স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশে আমরাই প্রথম পলিসি সামিট এর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি কৌশল জনগনের সামনে তুলে ধরেছি। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এর প্রতিফলন রয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশের এবং প্রবাসী বিশেষজ্ঞরা অবদান রেখেছেন। এছাড়াও আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের সাথে বসেছি, এবং তাদের মূল্যবান মতামত ও পরামর্শ নিয়েছি। আমরা সুযোগ পেলে, মহান আল্লাহ ইচ্ছায় জনগনের ভালবাসায় আমরা সরকার গঠন করলে প্রথম দিনে ফজর নামাজ পড়েই আমাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন শুরু করব ইনশহাল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের শাসক শ্রেণি সরকারি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেদেরকে দেশের মালিক গন্য করেছে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদ, পদ-পদবী-নীতি-প্রতিষ্ঠান, সবকিছু ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থ হাসিলের উপায় হিসাবে অন্যায়ভাবে ব্যবহার করেছে। এর ফলে চুরি ও দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে প্রতারিত করে জনগনের সম্পদ লুন্ঠন করেছে। উন্নয়ন প্রকল্প ব্যক্তিগত ও দলীয় লুন্ঠনের সিঁড়ি হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই ব্যাবস্থার অবসান ঘটানই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন জাতিকে একটি নতুন স্বপ্নের দিকে নিয়ে যাওয়ার এক মহাসুযোগ হিসাবে এসেছে। যেসব সমস্যা আমরা বিগত দিনে সমাধান করতে পারিনি, যে লুটেরা গোষ্ঠীকে আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি, সেসব সমস্যার সমাধান এবং লুটেরা গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণের সুযোগ হচ্ছে আগামী নির্বাচন। তাই জনগণকে ঠিক করতে হবে আমরা আমাদের নিজেদের জন্য, আমাদের তরুণদের জন্য, আমাদের নারীদের জন্য, বয়স্ক মানুষের জন্য, প্রান্তিক মানুষের জন্য, শ্রমিকের জন্য, উদ্যোক্তাদের জন্য কোন বাংলাদেশ চাই।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছি যে আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরির জন্য ৫টি বিষয়ে হ্যা এবং ৫টি বিষয়ে না বলতে হবে। সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানকে আমরা হ্যা বলতে বলেছি। কারণ এসব মৌলিক শর্ত ছাড়া বৈষম্যহীন, উন্নত, নৈতিক মানসম্পন্ন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব, চাঁদাবাজি-কে স্পষ্ট করে না বলতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ আয়তনে ছোট কিন্তু জনসংখ্যায় বড় একটি দেশ। এ জনসংখ্যাকে অনেকে সমস্যা হিসাবে বিবেচনা করলেও আমরা মনে করি এটি আল্লাহর নেয়ামত এবং এক বড় সম্পদ। তাই আমাদের জনসংখ্যাকে জনশক্তি হিসাবে রুপান্তর করতে হলে নীতি ও নৈতিকতা ভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নাই। সমাজে নীতি-নৈতিকতা-শৃঙ্খলা-জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া কোন জাতি আগাতে পারেনি। আমাদের পক্ষেও সম্ভব না।
জামায়াত আমির বলেন, যে সমাজ নারীর মর্যাদা রক্ষা করতে পারে না, সেই সমাজ কখনো সমৃদ্ধ হতে পারে না। আমরা ক্ষমতায় এলে নারীরা কেবল ঘরের ভেতরে নয়, সমাজের মূলধারার নেতৃত্বে থাকবেন সগৌরবে। কর্পোরেট জগত থেকে রাজনীতি—সবখানে তাঁদের মেধার মূল্যায়ন হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আমরা এমন এক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যেখানে কোনো মা বা বোনকে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হবে না। আপনাদের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গী হোন। একটি উন্নত ও আধুনিক দেশ গড়ার কারিগর হিসেবে আমাদের নির্বাচিত করুন।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি সমাজে ন্যায় বিচার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে সকলকে মর্যাদা দিতে হবে এবং সকলের মানবাধিকার সুরক্ষা দিতে হবে। সকল পরিচয় নির্বিশেষে আমরা এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করছি যে একটি মানবিক-উন্নত দেশ গড়ার জন্য দল-মত-নির্বিশেষে সকলের মান-ইজ্জত-অধিকারের সুরক্ষা দিবো। এই বাংলাদেশ—মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সবার। কেউ ভয়ের সংস্কৃতির মধ্যে বাস করবে না। যদি কেউ ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আঘাত করার চেষ্টা করে, আমরা অতীতের মত ভবিষ্যতেও তা প্রতিরোধ করব।
জামায়াত আমির বলেন, শিক্ষা হতে হবে নৈতিকতা ভিত্তিক এবং সেটা হতে হবে টেক বেইজড। এখনকার সারা দুনিয়া প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার উপর নির্ভরশীল, আমরা সেই শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। আমাদের সন্তানদের হাতকে আমরা দক্ষ কারিগরের হাত হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং তাদের হাতে হাতে আমরা কাজ দিতে চাই। কোনো বেকার ভাতা তাদেরকে তুলে দিতে চাই না।
তিনি বলেন, ন্যায়বিচার সমাজে প্রতিষ্ঠা হলেই কেবল আমরা আমাদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়তে পারব। অন্যথায় দুঃশাসন এবং দুর্নীতির কণ্ঠরোধ মোটেই সম্ভব হবে না। অতএব, বিচার বিভাগকে আমূল ঢেলে সাজাতে হবে। সেখানে অবশ্যই সৎ, দক্ষ এবং কমিটেড যে সমস্ত লোকেরা আছেন তাদের বিচারের আসনে বসাতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করা সকল রাজনৈতিক দলের জন্য একটি বিরাট নৈতিক দায়িত্ব । তাই আমাদের আহবান হবে নির্বাচনী আচরণ-বিধিকে সম্মান জানানো এবং প্রতিদ্বন্দ্বি রাজনৈতিক দলের বৈধ অধিকারকে সম্মান করা। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। আমাদের সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা অনেক কষ্ট করে আমাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান কভার করেছেন। আপনাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ঋণ শোধ করতে পারবো না। আপনারা ভালো থাকবেন।
জামায়াত আমির বলেন,আমাদের দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী, শুভাকাঙ্খী এবং নির্বাচনী জোটের নেতৃবৃন্দ, কর্মীগণ নিরলস পরিশ্রম করেছেন। আর্থিক ত্যাগ করেছেন। শেরপুরে আমার ভাই রেজাউল করিম, প্রতিপক্ষের নির্মম আঘাতে, শাহাদাত বরণ করেছেন। আল্লাহ সকলের ত্যাগ ও কুরবানি কবুল করুন। আমাদের ভাই, জনাব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বাদল, যিনি শেরপরু-৩ আসনের প্রার্থী ছিলেন, ইন্তেকাল করেছেন, আল্লাহ তাকে উত্তম পুরস্কার দিন ও জান্নাত নসীব করুন।
তিনি বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি যে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব হচ্ছে আমানত। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কোন উপভোগের বিষয় নয়। সর্বাবস্থায় আমরা স্মরণে রাখবো ‘আমরা প্রত্যেকে দায়িত্বশীল এবং আমাদের দায়িত্বের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে’। আমরা হযরত ওমরের সেই বিখ্যাত উক্তি ও দায়িত্বশীলতা মনে রাখবো যে, ‘ফোরাতের তীরে একটি কুকুর না খেয়ে মড়ে গেলেও আমি ওমর দায়ী থাকবো’। আল্লাহ’র নির্দেশ অনুসারে আমরা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ থাকবো, ইনশাআল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আশা করি আপনারা আমাদের অঙ্গীকার ও স্বপ্নকে বিশ্বাস করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের প্রতি সমর্থন দিবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদেরকে দাঁড়ি পাল্লা মার্কায় এবং যেসব অঞ্চলে ১১ দলীয় প্রার্থী আছে সেসব এলাকায় ১১ দলীয় প্রতীকে ভোট দিবেন, এ আকুল আবেদন আপনাদের প্রতি রাখলাম। আল্লাহ পরিবর্তনের এক মহাসুযোগ আমাদেরকে দিয়েছে, আসুন সেটা কাজে লাগাই। বিগত দিনের রাজনীতি পরিহার করি। একটি নতুন বাংলাদেশ তৈরি করি যেখানে সবাই মান-ইজ্জত-মর্যাদা নিয়ে বাস করবে। আল্লাহ আমাদের প্রতি সহায় হোন।




সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন