× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমার মহিমা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমার মহিমা। ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমার মহিমা। ছবি : সংগৃহীত

মানুষ হিসেবে আমাদের মধ্যে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভুলকে আঁকড়ে ধরে না রেখে একে অপরকে ক্ষমা করে দেওয়াই হলো ইসলামের মহান শিক্ষা। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বারবার ক্ষমার গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি এরশাদ করেছেন, “যদি তোমরা মার্জনা করো, তবে জেনে রেখো আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।” (সুরা আন-নিসা: ১৪৯)।

ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ক্ষমার গুণ ও এর তাৎপর্য নিয়ে আজকের বিশেষ প্রতিবেদন।

১. আল্লাহর প্রিয় হওয়ার মাধ্যম
ক্ষমা করা কেবল মানুষের প্রতি দয়া নয়, বরং এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি মাধ্যম। যারা রাগকে সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। ইসলাম শিখিয়েছে, যদি আমরা আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমা আশা করি, তবে আমাদেরও সৃষ্টির প্রতি ক্ষমাশীল হতে হবে।

২. আত্মিক প্রশান্তি ও অহংকার মুক্তি
প্রতিশোধ গ্রহণের ইচ্ছা মানুষের মনে অশান্তি ও বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, কাউকে মন থেকে ক্ষমা করে দিলে এক ধরনের স্বর্গীয় প্রশান্তি অনুভূত হয়। এটি মানুষকে অহংকারমুক্ত করে বিনয়ী করে তোলে, যা একজন মুমিনের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

৩. রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুপম আদর্শ
ক্ষমার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ স্থাপন করে গেছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মক্কা বিজয়ের দিন তিনি তাঁর ঘোর শত্রুদেরও বিনাশর্তে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। তাঁর এই মহানুভবতা ইসলামের প্রসারে এবং মানুষের মন জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিল। ইসলামের ইতিহাসে তায়েফের ময়দানে পাথরের আঘাতে রক্তাক্ত হওয়ার পরেও কাফেরদের জন্য নবীজির দোয়ার ঘটনা ক্ষমার এক অনন্য দলিল হয়ে আছে।

৪. সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ়করণ
একটি সুন্দর সমাজ গঠনে একে অপরের ভুলত্রুটি ক্ষমা করার কোনো বিকল্প নেই। ক্ষমা মানুষের মধ্যে শত্রুতা কমিয়ে বন্ধুত্বের পথ প্রশস্ত করে। এতে সমাজে হানাহানি ও পারস্পরিক বিদ্বেষ দূর হয় এবং শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

৫. আখিরাতে পুরস্কার
হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কাউকে ক্ষমা করবে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তার মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে দেবেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “ক্ষমার দ্বারা আল্লাহ বান্দার সম্মানই বৃদ্ধি করেন।” (সহিহ মুসলিম)।

ক্ষমা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি মানসিক শক্তির পরিচয়। আজকের অস্থির সময়ে যদি আমরা একে অপরের প্রতি ক্ষমাশীল হতে পারি, তবে আমাদের ঘর, সমাজ ও রাষ্ট্র আরও বেশি শান্তিপূর্ণ হয়ে উঠবে। ইসলামের এই মহান শিক্ষাকে জীবনে বাস্তবায়ন করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!