× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

রমজানে ফিটনেস : রোজা রেখে শরীরচর্চার সঠিক গাইডলাইন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩, ২০২৬, ০২:৪০ পিএম

রমজানে ফিটনেস। ছবি: সংগৃহীত

রমজানে ফিটনেস। ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। তাই এ সময়ে শরীরচর্চার ধরনেও কিছুটা বদল আনা জরুরি। সঠিক নিয়ম মেনে ব্যায়াম করলে শরীর সতেজ থাকে এবং ক্লান্তি ভাব দূর হয়।

রমজান মাসে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে শক্তির মাত্রা কিছুটা কম থাকে। তবে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে রোজা রেখেও শরীরচর্চা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। 

১. ব্যায়ামের সঠিক সময় নির্বাচন
রোজায় ব্যায়াম করার জন্য তিনটি সময় সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে:

ইফতারের ঠিক আগে : ইফতারের ৪৫ মিনিট বা এক ঘণ্টা আগে হালকা ব্যায়াম করা যেতে পারে। এতে ব্যায়াম শেষ করেই ক্যালরি ও পানি গ্রহণের সুযোগ থাকে।

ইফতারের দু-তিন ঘণ্টা পর : এটি সবচেয়ে আদর্শ সময়। কারণ ইফতারের পর শরীর পর্যাপ্ত শক্তি ও পানি ফিরে পায়।

সেহরির আগে : যারা খুব ভোরে উঠতে অভ্যস্ত, তারা সেহরির আগে হালকা শরীরচর্চা করে নিতে পারেন।

২. ব্যায়ামের ধরন (তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ)
রোজায় শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া ঠিক নয়। তাই উচ্চমাত্রার ব্যায়াম (High Intensity) এড়িয়ে চলাই ভালো।

কার্ডিও : দ্রুত হাঁটা বা হালকা জগিং করা যেতে পারে। তবে ট্রেডমিলে দীর্ঘক্ষণ দৌড়ানো এড়িয়ে চলুন।

স্ট্রেচিং ও যোগব্যায়াম : শরীরকে সচল রাখতে এবং পেশির জড়তা কাটাতে ইয়োগা বা স্ট্রেচিং দারুণ কার্যকর।

হালকা ওয়েট লিফটিং : যারা নিয়মিত জিম করেন, তারা ওজন কিছুটা কমিয়ে এবং সেটের সংখ্যা কমিয়ে শরীরচর্চা করতে পারেন।

৩. পানিশূন্যতা রোধ ও খাদ্যাভ্যাস
ব্যায়াম করার ফলে শরীর থেকে ঘাম ঝরে, যা পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। এটি রোধে করণীয়:

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার পান করুন।

ইফতারে ভাজাপোড়া কমিয়ে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার (যেমনখেজুর, ফল, ওটস) রাখুন।

ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় (চা বা কফি) কম পান করুন, কারণ এটি শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে দেয়।

৪. পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম
ব্যায়ামের পর শরীরকে পুনর্গঠিত করতে পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। রোজার সময় ঘুমের রুটিন এলোমেলো হয়ে যায়, তাই চেষ্টা করুন রাতে অন্তত ছয়-সাত ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুমানোর।

৫. সতর্কতা
ব্যায়াম করার সময় যদি অতিরিক্ত মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন, তবে সঙ্গে সঙ্গে ব্যায়াম বন্ধ করে দিন। রোজা রাখা অবস্থায় শরীরকে খুব বেশি ক্লান্ত করা কোনোভাবেই উচিত নয়।

রমজানে শরীরচর্চার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শরীরের বর্তমান ফিটনেস ধরে রাখা, নতুন করে মাসল তৈরি বা ওজন কমানোর জন্য অতিরিক্ত চাপ নেওয়া নয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!