× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

মানুষ ট্যাগিং-ব‍্যাশিংমুক্ত পরিচ্ছন্ন রাজনীতি চায় : আজহারী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

ড. মিজানুর রহমান আজহারী। ছবি : সংগৃহীত

ড. মিজানুর রহমান আজহারী। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমানে মানুষ ট্যাগিং ও ব্যাশিংমুক্ত পরিচ্ছন্ন রাজনীতি দেখতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ও লেখক ড. মিজানুর রহমান আজহারী। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ, সামাজিক সম্প্রীতি, জাতীয় ঐক্য এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের দায়িত্ব নিয়ে তিনি এসব মতামত তুলে ধরেন।

ড. আজহারী লেখেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণ আবারও ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। এতে ছাত্র-জনতার হাতে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সুযোগ এসেছে। তিনি বলেন, নির্বাচন শুধু একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ কারণে এই সময়টিতে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সচেতন, সংযমী ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় পর জনগণ তুলনামূলকভাবে ভালো নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব, উসকানি ও দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই প্রতিটি সিদ্ধান্ত অত্যন্ত দায়িত্বশীলভাবে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। রাজনৈতিক মতভিন্নতা থাকলেও তা যেন সহিংসতা বা বিদ্বেষে রূপ না নেয়—সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বর্তমান বাস্তবতায় রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হওয়ার বিষয়টিকে দুঃখজনক উল্লেখ করে ড. আজহারী বলেন, যুক্তিসংগত আলোচনা ও সমালোচনা হতে পারে, তবে কাউকে অপমান করা বা ভিন্নমতকে তুচ্ছ করা উচিত নয়। পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানই একটি মানবিক সমাজের ভিত্তি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, সাধারণ মানুষ দোষারোপ, চেতনা বিক্রি ও বিভাজনের রাজনীতির অবসান চায়। তারা রাজনীতিতে নতুনত্ব ও ইতিবাচক পরিবর্তন প্রত্যাশা করে। তাই রাজনীতিবিদদের উচিত প্রতিপক্ষকে দোষারোপ না করে জনগণের মৌলিক সমস্যার সমাধানে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা। জনগণই চূড়ান্তভাবে যোগ্যতা মূল্যায়ন করবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের মানুষ একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রত্যাশা করে। দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব ও পক্ষপাতহীন আচরণই দেশকে নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে পারে।

ভোটকে একটি আমানত হিসেবে উল্লেখ করে ড. আজহারী বলেন, ভোট প্রয়োগের ক্ষেত্রে সততা, ন্যায়বোধ ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে সচেতনভাবে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি জাতির জন্য কল্যাণকর নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য সবার কাছে দোয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পরিশেষে তিনি বলেন, জনগণের রায়ে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন, তাদের সবাইকে মেনে নিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ জনগণই রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেয়। তাই সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার মাধ্যমে বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

Link copied!