× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম

বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নে বিভোর কিউই ওপেনার

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম

ফিন অ্যালেন। ছবি : সংগৃহীত

ফিন অ্যালেন। ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর কেটে গেছে পাঁচটি বছর। এই পাঁচ বছরে অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন তিনি। কখনো ফর্মের তুঙ্গে থেকে প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসন করেছেন, আবার কখনো টানা ব্যর্থতায় নিজের সামর্থ্য নিয়ে নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ২০২৬ সালে এসে সেই ফিন অ্যালেন এখন এক ভিন্ন মানুষ। কিউই ক্রিকেটের এই ‘ডিনামাইট’ এখন নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের প্রধান হাতিয়ার।

২০২১ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অভিষেকটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম ম্যাচে শূন্য আর দ্বিতীয়টিতে মাত্র ১৭ রান। অ্যালেন স্বীকার করেছেন, তখন তার মনে হয়েছিল তিনি হয়তো আন্তর্জাতিক পর্যায়ের জন্য তৈরি নন। কিন্তু সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে ২৯ বলে ৭১ রানের এক টর্নেডো ইনিংস সব হিসাব বদলে দেয়।

২০২২ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনিতে ১৬ বলে ৪২ রানের সেই ইনিংসটি তাকে বিশ্বাস জুগিয়েছিল যে, বিশ্বের যেকোনো বোলিং আক্রমণকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তার আছে। তবে পরিসংখ্যান বলছিল ভিন্ন কথা। প্রথম তিন বছর টি-টোয়েন্টিতে তার গড় ছিল মাত্র ২০ থেকে ২৬-এর মধ্যে। ধারাবাহিকতা ছিল তার সবচেয়ে বড় শত্রু।

মাত্র ২১ বছর বয়সে আইপিএলে আরসিবি শিবিরে যোগ দেওয়াটা ছিল অ্যালেনের জন্য টার্নিং পয়েন্ট। বিরাট কোহলির সেই সহজ ‘গিব ডে’ সম্বোধন আর এবি ডি ভিলিয়ার্সের নিখুঁত হওয়ার জেদ তাকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করেছে। 

চেন্নাইয়ের কঠিন উইকেটে ডি ভিলিয়ার্সের দুর্দান্ত এক ইনিংসের পর নিজের ওপর অসন্তুষ্ট থাকা দেখে অবাক হয়েছিলেন অ্যালেন। সেই থেকেই তিনি বুঝেছেন, ক্রিকেটে পূর্ণতা বলে কিছু নেই, উন্নতির চেষ্টা চালিয়ে যাওয়াই আসল।

২০২৪ সালে নিউজিল্যান্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তটি ছিল সাহসী। অনেকেই ভেবেছিলেন এতে তার জাতীয় দলের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই তার খেলায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন লিগে খেলে তিনি এখন অনেক বেশি ধারাবাহিক। গত বছর এমএলসি-তে (এমএলসি) ১৯টি ছক্কাসহ ১৫১ রানের সেই অবিশ্বাস্য ইনিংস এবং বিগ ব্যাশে পার্থ স্করচার্সের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়া—সবই তার পরিণত হওয়ার প্রমাণ।

নিজের ব্যাটিংয়ে সাম্প্রতিক উন্নতির রহস্য ফাঁস করে অ্যালেন জানান, তিনি এখন তার হাতের পজিশন শরীর থেকে কিছুটা দূরে এবং উঁচুতে রাখেন। এতে বল হিট করার জন্য তিনি বেশি জায়গা পান। পাশাপাশি ইনিংসের শুরুতে ৫-১০ বল সময় দেওয়ার মানসিকতা তাকে বড় রান করতে সাহায্য করছে।

সামনে আইপিএল, যেখানে ২ কোটি রুপিতে তাকে দলে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যদিও সেখানে তাকে লড়াই করতে হবে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সতীর্থ টিম সাইফার্টের সাথে। এ নিয়ে অ্যালেন বলেন, আমরা একে অপরের বড় ভক্ত। যে-ই সুযোগ পাক, আমরা একে অপরের সাফল্যে খুশি হব।

বিশ্বকাপ আর আইপিএল—অ্যালেনের সামনে এখন ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। তবে তিনি এখনই অনেক দূরের কথা ভাবতে নারাজ। তার মতে, বর্তমানের প্রতিটি ম্যাচই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!