× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতের নতুন সাম্রাজ্য

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম

ভারত ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

ভারত ক্রিকেট দল। ছবি : সংগৃহীত

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আতশবাজির রোশনাই হয়তো স্তিমিত হয়ে এসেছে, কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটে নীল শিবিরের দাপট নিয়ে আলোচনা থামছে না। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের এই শিরোপা জয় কেবল প্রতিভার জয় নয়, বরং এটি ছিল এক নির্ভীক রণকৌশল ও মানসিকতার জয়। 

টুর্নামেন্টের মাঝপথে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে এক বিধ্বস্ত হারের পর যেভাবে ভারত ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাকে আধুনিক ক্রিকেটের অন্যতম সেরা প্রত্যাবর্তন হিসেবে দেখছেন সাবেক বিশ্বজয়ী ক্রিকেটাররা।

এই রূপান্তরের নেপথ্যে মূল কারিগর হিসেবে ভাবা হচ্ছে হেড কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের এক সাহসী সিদ্ধান্তকে। সুপার এইট পর্বে হারের পর দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় ঈশান কিষাণকে ব্যাটিং অর্ডারের নিচে নামিয়ে সাঞ্জু স্যামসনকে ওপেনিংয়ে ফিরিয়ে আনার এক 'মাস্টারস্ট্রোক' খেলেন গম্ভীর। 

আর সেই আস্থার প্রতিদান দিতে স্যামসন যা করলেন, তা ক্রিকেট ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। মাত্র ৩ ম্যাচে প্রায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৩০০ এর বেশি রান তুলে নিয়ে স্যামসন শুধু দলকে জেতাননি, নিজের নামে লেখালেন 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট'-এর খেতাবও।

অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি অধিনায়ক রিকি পন্টিং ভারতের এই সাফল্যের পেছনে গম্ভীরের মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। 

আইসিসি রিভিউতে পন্টিং জানান, গম্ভীরের এই সিদ্ধান্ত ছিল একটি বড় জুয়া, যা শেষ পর্যন্ত ভারতের জন্য সোনা ফলিয়েছে। পন্টিংয়ের মতে, একজন খেলোয়াড়ের জন্য কেবল কোচ বা অধিনায়কের একটু ভরসাও অনেক সময় জাদুর মতো কাজ করে।  গম্ভীরের সেই 'কাঁধে হাত রাখা'র দর্শনই স্যামসনকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলেছিল, যার প্রতিফলন দেখা গেছে মাঠে।"

মাঠে ফেরার পর স্যামসনের ব্যাটিং ছিল চোখে পড়ার মতো। ৯৭*, ৮৯ এবং ৮৯ রানের তিনটি অপরাজিত ইনিংস খেলে তিনি ভারতীয় ইনিংসের মেরুদণ্ড হয়ে দাঁড়ান। 

বিশেষ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মরণ-বাঁচন লড়াই এবং সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপকে চুরমার করে দিয়ে স্যামসন প্রমাণ করেছেন যে, কেন গম্ভীর তার ওপর ভরসা রেখেছিলেন। 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!