উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে প্যারিসে দাপট দেখিয়েও পুরো কাজটা শেষ করতে পারল না ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজি।
ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলকে ২-০ গোলে হারালেও দেম্বেলে-ভিটিনহাদের সুযোগ ছিল আরও বড় ব্যবধানে জেতার। সেই সুযোগ কাজে না লাগানোয় ফিরতি লেগের আগে আশা বাঁচিয়ে রাখল অল রেডরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই একতরফা দাপট ছিল পিএসজির। লিভারপুলকে নিজেদের অর্ধেই চেপে রেখে আক্রমণ চালাতে থাকে স্বাগতিকরা। ১১ মিনিটেই সেই চাপের ফল পায় তারা।
বক্সের সামনে জায়গা পেয়ে শট নেন পিএসজির ফরাসি অ্যাটাকার ডেজিরে দুয়ে, সামান্য ডিফ্লেকশনে বল জালে জড়িয়ে যায়।
গোল খাওয়ার পর কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে লিভারপুল। তবে আক্রমণে ধার ছিল না। মাঝে এক-দুটি আক্রমণ ছাড়া পিএসজির রক্ষণকে খুব একটা পরীক্ষা নিতে পারেনি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। বল দখল, পাসিং, সুযোগ তৈরি সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল পিএসজি। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন খভিচা কভারাতসখেলিয়া। জোয়াও নেভেসের নিখুঁত পাস থেকে ডিফেন্স ভেঙে দুর্দান্ত এক গোল করেন তিনি।
এরপরও একাধিক সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। বিশেষ করে দেম্বেলে বারবার ভালো জায়গায় বল পেয়েও গোল করতে পারেননি। একবার তো পোস্টেও লেগে ফিরে আসে তার শট। নুনো মেন্দেসও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন।
পরিসংখ্যানেও ম্যাচের চিত্র স্পষ্ট। ৭৪ শতাংশ বল দখল ছিল পিএসজির, শট নিয়েছে ১৮টি। বিপরীতে লিভারপুলের শট মাত্র ৩টি, গোলমুখে ছিল না একটিও।
তবুও ২-০ ব্যবধান লিভারপুলের জন্য বড় স্বস্তি। কারণ অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য তাদের আছে।
পিএসজি ম্যাচ জিতলেও সুযোগ নষ্টের আক্ষেপ থাকছে। আর লিভারপুল, পুরো ম্যাচে চাপে থাকলেও লড়াইটা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছে। এখন সব চোখ থাকবে অ্যানফিল্ডের দ্বিতীয় লেগে।


