বিশ্বকাপ মানেই শিরোপা জয়ের লড়াই। তবে ফাইনালে উঠতে না পারা দুই সেমিফাইনালিস্টের জন্যও থাকে সম্মান রক্ষার একটি মঞ্চ—তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। এই ম্যাচে জয় দিয়ে অনেক দল বিশ্বকাপ শেষ করেছে গৌরবের সঙ্গে, আবার অনেক পরাশক্তিকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে চতুর্থ স্থান নিয়েই।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় স্থান অর্জনের দিক থেকে সবচেয়ে সফল দল জার্মানি (পশ্চিম জার্মানিসহ)। চারবার তৃতীয় হয়ে তারা এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে। এরপর ফ্রান্স, ব্রাজিল, পোল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া—প্রতিটি দলই দুবার করে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, চতুর্থ স্থান অর্জনের তালিকায় একাধিকবার রয়েছে ব্রাজিল, উরুগুয়ে ও ইংল্যান্ডের নাম। যদিও শিরোপা জয়ের তুলনায় এই অর্জনের গুরুত্ব কম, তবুও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয় বিশ্বকাপ শেষ করার একটি ইতিবাচক এবং মর্যাদাপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ১৯৩৪ থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপের তৃতীয় ও চতুর্থ হওয়া দল।
১৯৩০ বিশ্বকাপ: ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।
১৯৩৪ বিশ্বকাপ: ৩য় জার্মানি, ৪র্থ অস্ট্রিয়া।
১৯৩৮ বিশ্বকাপ: ৩য় ব্রাজিল, ৪র্থ সুইডেন।
১৯৫০ বিশ্বকাপ: ৩য় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়নি।
১৯৫৪ বিশ্বকাপ: ৩য় অস্ট্রিয়া, ৪র্থ উরুগুয়ে।
১৯৫৮ বিশ্বকাপ: ৩য় ফ্রান্স, ৪র্থ পশ্চিম জার্মানি।
১৯৬২ বিশ্বকাপ: ৩য় চিলি, ৪র্থ যুগোস্লাভিয়া।
১৯৬৬ বিশ্বকাপ: ৩য় পর্তুগাল, ৪র্থ সোভিয়েত ইউনিয়ন।
১৯৭০ বিশ্বকাপ: ৩য় পশ্চিম জার্মানি, ৪র্থ উরুগুয়ে।
১৯৭৪ বিশ্বকাপ: ৩য় পোল্যান্ড, ৪র্থ ব্রাজিল।
১৯৭৮ বিশ্বকাপ: ৩য় ব্রাজিল, ৪র্থ ইতালি।
১৯৮২ বিশ্বকাপ: ৩য় পোল্যান্ড, ৪র্থ ফ্রান্স।
১৯৮৬ বিশ্বকাপ: ৩য় ফ্রান্স, ৪র্থ বেলজিয়াম।
১৯৯০ বিশ্বকাপ: ৩য় ইতালি, ৪র্থ ইংল্যান্ড।
১৯৯৪ বিশ্বকাপ: ৩য় সুইডেন, ৪র্থ বুলগেরিয়া।
১৯৯৮ বিশ্বকাপ: ৩য় ক্রোয়েশিয়া, ৪র্থ নেদারল্যান্ডস।
২০০২ বিশ্বকাপ: ৩য় তুরস্ক, ৪র্থ দক্ষিণ কোরিয়া।
২০০৬ বিশ্বকাপ: ৩য় জার্মানি, ৪র্থ পর্তুগাল।
২০১০ বিশ্বকাপ: ৩য় জার্মানি, ৪র্থ উরুগুয়ে।
২০১৪ বিশ্বকাপ: ৩য় নেদারল্যান্ডস, ৪র্থ ব্রাজিল।
২০১৮ বিশ্বকাপ: ৩য় বেলজিয়াম, ৪র্থ ইংল্যান্ড।
২০২২ বিশ্বকাপ: ৩য় ক্রোয়েশিয়া, ৪র্থ মরক্কো।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন