× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়নদের কেন নকল ট্রফি দেওয়া হয়?

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম

ফুটবল বিশ্বকাপ। ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপ। ছবি : সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে বিজয়ী দলকে সোনালি ট্রফি হাতে উল্লাস করতে দেখা যায়। তবে অনেকেরই ধারণা, সেই ট্রফিটিই চিরদিনের জন্য চ্যাম্পিয়ন দলের কাছে থেকে যায়। বাস্তবে বিষয়টি ভিন্ন। বিশ্বকাপজয়ী দল মাঠে আসল ট্রফি নিয়ে উদযাপন করলেও পরে সেটি ফিফার কাছে ফিরিয়ে দিতে হয়। এরপর বিজয়ী দেশকে দেওয়া হয় সোনা-জড়ানো ব্রোঞ্জ-অ্যালয়ের তৈরি একটি হুবহু প্রতিরূপ বা রেপ্লিকা ট্রফি।

ফিফার এই নীতির মূল কারণ হলো বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ক্রীড়া ট্রফিগুলোর একটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি আসল ট্রফিটির গায়ে বিশ্বকাপজয়ী দেশগুলোর নাম খোদাই করা থাকে। এটি সারা বছর সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফা মিউজিয়ামে সংরক্ষিত থাকে। বিশেষ প্রদর্শনী বা বিশ্বকাপ চলাকালে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানে এটি প্রদর্শন করা হলেও স্থায়ীভাবে কোনো দেশের কাছে রাখা হয় না।

এর পেছনে রয়েছে ইতিহাসের তিক্ত অভিজ্ঞতাও। বর্তমান ট্রফির আগে বিশ্বকাপে দেওয়া হতো জুল রিমে ট্রফি। ১৯৭০ সালে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিল সেটির স্থায়ী মালিকানা লাভ করে। পরে ট্রফিটি ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের জাদুঘরে রাখা হয়। কিন্তু ১৯৮৩ সালে সেটি চুরি হয়ে যায় এবং আর কখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয়, ট্রফিটি গলিয়ে ফেলা হয়েছিল।

এরও আগে ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ চলাকালে প্রদর্শনী থেকে জুল রিমে ট্রফি চুরি হয়েছিল। পরে দক্ষিণ লন্ডনের একটি ঝোপের নিচে 'পিকলস' নামের একটি কুকুর সেটি খুঁজে পায়। এই দুই ঘটনার পর বিশ্বকাপ ট্রফির নিরাপত্তা নিয়ে ফিফা আরও কঠোর অবস্থান নেয়।

১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপ থেকে বর্তমান ট্রফি চালু হয়। ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগা এর নকশা করেন। ৩৬.৮ সেন্টিমিটার উচ্চতার ৬.২ কেজি ওজনের এই ট্রফিটি ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি। এতে দুইজন মানুষের হাতে পৃথিবীকে তুলে ধরার প্রতীকী অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ গৌরবের প্রতীক।

তাই বিশ্বকাপ জিতলেও কোনো দেশ আসল ট্রফির স্থায়ী মালিক হতে পারে না। ফিফা ঐতিহাসিক এই স্মারকটি নিজেদের তত্ত্বাবধানে সংরক্ষণ করে, আর চ্যাম্পিয়ন দলকে স্মারক হিসেবে দেওয়া হয় একই নকশার একটি রেপ্লিকা ট্রফি। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ট্রফির নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে বিশ্বকাপের ঐতিহ্যও অক্ষুণ্ন থাকে।

Link copied!