রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে টানা ষষ্ঠ ম্যাচেও হার মানতে হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। এই হারের পর কাগজে-কলমে নোয়াখালীর প্লে-অফের সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবে তা খুবই ক্ষীণ হয়ে গেছে।
নোয়াখালীর বিদায় নিশ্চিত হয়ে যাবে দুটি ঘটনা ঘটলে। প্রথমত, আজকের ম্যাচে সিলেট টাইটান্স জিতলে। দ্বিতীয়ত, নোয়াখালী তাদের পরের ম্যাচে হারলে। নোয়াখালী যদি পরের ম্যাচে হারে, তাহলে তাদের হাতে থাকবে তিনটি ম্যাচ। সেই তিন ম্যাচ জিতলেও ৮ পয়েন্টে থাকা রাজশাহী ও সম্ভাব্যভাবে এগিয়ে যাওয়া সিলেটকে টপকানো তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না।
বর্তমানে ৭ ম্যাচ শেষে সিলেটের পয়েন্ট ৬। আর ৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ দুইয়ে রয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস ও রংপুর রাইডার্স।
এই ম্যাচে রাজশাহী ৪ উইকেটে নোয়াখালীকে হারিয়েছে। নোয়াখালীর করা ১৫১ রানের লক্ষ্য রাজশাহী টপকে যায় এক ওভার হাতে রেখেই। জয়ের নায়ক ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপেনার মুহাম্মদ ওয়াসিম। রানআউট হওয়ার আগে তিনি ৩৫ বলে ৬০ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৪টি ছক্কা।
রাজশাহীর হয়ে তানজিদ হাসান তামিম করেন ২১, মুশফিকুর রহিম ১৯ ও রায়ান বার্ল ১৯ রান। নোয়াখালীর পক্ষে মেহেদী হাসান রানা ২৫ রানে ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট পান হাসান মাহমুদ ও মোহাম্মদ নবি।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫১ রান তোলে। সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫৯ রান। ৪৩ বলের এই ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা। দিপুকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস ওপেন করে সৌম্য ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন।
শাহাদাত ২৮ বল খেলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর সাদাকাতের সঙ্গে ২৬ ও মোহাম্মদ নবির সঙ্গে ১৮ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। পরে হাসান মাহমুদের বলে আউট হন তিনি।
মোহাম্মদ নবি ২৬ বলে ৩৫ রান করে নোয়াখালীর ইনিংস টানেন শেষ পর্যন্ত। ১৮.৩ ওভারে তিনি আউট হওয়ার পর শেষ ৯ বলে দল যোগ করতে পারে মাত্র ১২ রান। মাহিদুল ইসলাম অঙ্গন ৫ বলে ১০ রান করেন এবং হায়দার আলী ৬ বলে ৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে রিপন মণ্ডল ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। বিনুরা ফার্নান্দো, নাজমুল হোসেন শান্ত ও হাসান মুরাদ নেন একটি করে উইকেট।



