ক্রিকেট মাঠে ভারত-পাকিস্তান লড়াই মানেই যেখানে টাকার বৃষ্টি, সেখানে পাকিস্তানের একটি ‘না’ এখন আইসিসির জন্য বিশাল আর্থিক ধাক্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক জেদ আর বাংলাদেশের প্রতি সংহতির মিশেলে পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে, তবে স্রেফ কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আইসিসির খাতা থেকে মুছে যাবে ৩৩৫ কোটি টাকা।
বাবর-সূর্যদের ব্যাট-বলের লড়াইয়ের চেয়েও এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে সম্প্রচারক আর স্পন্সরদের বুক ধড়ফড়ানি—ক্রিকেট কি তবে ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ‘ওয়াকওভার’ দেখতে যাচ্ছে?
আইসিসি সূত্রে জানা যায়, এই ম্যাচের প্রতি ১০ সেকেন্ড বিজ্ঞাপনের দাম প্রায় ৪০ লাখ রুপি। ম্যাচ না হলে এই বিশাল অঙ্কের রেভিনিউ এক নিমেষে শূন্য হয়ে যাবে।
এ ছাড়া মেটা, ইউটিউব এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে আসা কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে আইসিসি।
নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ায় আইসিসি ইতোমধ্যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচ এবং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ—এই পাঁচটি ম্যাচ মিলিয়ে আইসিসির মোট রাজস্ব ঘাটতি ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ভারত ও জয় শাহর আইসিসিকে চাপে রাখতে পাকিস্তান এটিকে তুরুপের তাস হিসেবে ব্যবহার করছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের দাবি না মানার প্রতিবাদ হিসেবেও পাকিস্তানের এই ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেয় বলেও অনেকের ধারণা।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাকিস্তান মহারণ সামনে রেখে ইতোমধ্যে চিরচেনা ‘স্লেজিং’ ও প্রমোশনাল বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেছে ভারতীয় সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। কিন্তু ম্যাচ না হলে স্পন্সরশিপ এবং প্রি-বুকিং করা বিজ্ঞাপনের টাকা ফেরত দেওয়া বা বিকল্প ব্যবস্থা করা তাদের জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এদিকে, পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত বদলাতে চাপ দিচ্ছে আইসিসি। গতকালের এক বিজ্ঞপ্তিতে তারা আশা প্রকাশ করেছে যে পাকিস্তান খেলবে।
-20260202031052.webp)


