× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১১:৪৬ এএম

তামিমের কমিটিকে ‘অবৈধ’ বললেন আমিনুল ইসলাম

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১১:৪৬ এএম

আমিনুল ইসলাম ও তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

আমিনুল ইসলাম ও তামিম ইকবাল। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গত নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একই সঙ্গে বিসিবি পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল।

এদিকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ‘ত্রুটিপূর্ণ ও আইনগতভাবে অগ্রহণযোগ্য’ আখ্যা দিয়ে নিজেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একমাত্র বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন আমিনুল ইসলাম।

তিনি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত বিসিবির অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক ও অবৈধ’ হিসেবে অভিহিত করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার পরপরই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, ৫ এপ্রিল এনএসসি কর্তৃক প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন আইনগতভাবে কোনো ভিত্তি রাখে না। ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও বৈধ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, ওই নির্বাচন পরিচালনার জন্য ২০২৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিন সদস্যের একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিল। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক ছিলেন নির্বাচন কমিশনার।

আমিনুল আরও জানান, ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে যে আপত্তি উঠেছিল, তা ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিত আধা-বিচারিক শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

এনএসসির এই তদন্তকে তার এখতিয়ারবহির্ভূত হিসেবে মন্তব্য করেন আমিনুল। তিনি বলেন, আইসিসির সংবিধান অনুযায়ী সদস্য বোর্ডগুলোকে সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রেখে পরিচালিত হতে হয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের উদ্যোগে হওয়া এই তদন্তকে তিনি ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি গঠনকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ বলে উল্লেখ করেছেন বিসিবির সাবেক সভাপতি। তবে এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই বলেও তিনি দাবি করেন।

আমিনুল বলেন, আমরা এই কমিটির কর্তৃত্ব স্বীকার করি না।

বিবৃতির শেষে তিনি সতর্ক করেছেন যে, সরকারের এই হস্তক্ষেপ বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করবে। বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

তিনি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে আইসিসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন।

আমিনুলের দাবি, নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে হাইকোর্টের রায় না হওয়া পর্যন্ত তিনিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি।

Link copied!