শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১১:৩০ পিএম

শোয়েব আক্তারের বিপক্ষে উজ্জ্বল বাশার: পরিসংখ্যান বলছে সাফল্যের গল্প

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৫, ১১:৩০ পিএম

সাবেক পাক-পেসার শোয়েব আক্তার (বামে) ও সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন (ডানে)। ছবি - সংগৃহীত

সাবেক পাক-পেসার শোয়েব আক্তার (বামে) ও সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন (ডানে)। ছবি - সংগৃহীত

একসময় পাকিস্তানের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দিতেন শোয়েব আক্তার। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত এই পেসার ছিলেন বিশ্বের দ্রুততম বলের রেকর্ডধারী। তার করা ১৬১.৩ কিমি/ঘণ্টা গতির বল আজও ক্রিকেট ইতিহাসের দ্রুততম ডেলিভারিগুলোর মধ্যে অন্যতম। সেই তীব্র গতির সামনে দাঁড়িয়ে হাতেগোণা যে ক’জন ব্যাটার বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর এই গতিদানবের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে টেস্টখেলুড়ে বাংলাদেশের প্রথম যুগের ব্যাটিং ভরসা হাবিবুল বাশারের সাহসিকতা ও লড়াকু মনোভাব আজও ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গর্ব ও বিস্ময়ের গল্প হয়ে আছে।

হাবিবুল বাশার সুমনের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু ১৯৯৫ সালে, আর টেস্ট অভিষেক ২০০০ সালে। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রথম টেস্ট দিয়েই অভিজাত এই ফরম্যাটের যাত্রা শুরু করেন তিনি। দেশের ক্রিকেটে নতুন সূর্যের মতো উঠেছিলেন তিনি, পরবর্তীতে হয়েছিলেন টেস্ট অধিনায়ক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়াকে কার্ডিফে হারিয়ে দিয়েছিল, সেই জয় আজও ইতিহাসে অম্লান। ব্যাট হাতে তিনি ছিলেন আস্থার প্রতীক। রক্ষণাত্মক হলেও পরিস্থিতি অনুযায়ী আক্রমণাত্মক হওয়ার ক্ষমতা ছিল তার বড় শক্তি।

সাবেক বাংলাদেশি অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। ছবি - সংগৃহীত

পাক-গতিদানব শোয়েব আক্তারের বিপক্ষে তার রেকর্ড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। টেস্ট ক্রিকেটে মুখোমুখি পাঁচ ইনিংসে বাশার করেছেন ৯৫ রান, ব্যাটিং গড় ৯৫.০০। স্ট্রাইক রেট ৯৩.১৩, যা প্রমাণ করে শোয়েবের ঝড়ো গতিকে সম্মান জানিয়ে হলেও সুযোগ বুঝে রান তুলতে তিনি পিছপা হননি। অন্যদিকে শোয়েব আক্তার বল করেছেন ৫ ইনিংসে ১০২টি, বাশারকে আউট করেন মাত্র ১ বার। তার ইকোনমি রেট ৫.৫৮ এবং বোলিং স্ট্রাইক রেট ১০২.০০-যা সেই সময়ের ভয়ংকরতম পেসারের জন্য বেশ সাদামাটাই বলা চলে।   

টেস্টে হাবিবুল বাশার ও শোয়েব আক্তারের মুখোমুখি পরিসংখ্যান:

 

 

ইনিংস

৫ 

রান

৯৫ 

বল (বোলিং)

১০২

ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট

৯৩.১৩

একনমি রেট

৫.৫৮

উইকেট

ব্যাটিং গড়

৯৫.০০

বোলিং স্ট্রাইক রেট

১০২.০০

 

শোয়েব আক্তারের ক্যারিয়ারও ছিল নাটকীয় উত্থান-পতনে ভরা। ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর তিনি হয়ে ওঠেন বিশ্বের ত্রাস। পাকিস্তানের হয়ে ৪৬ টেস্ট, ১৬৩ ওয়ানডে এবং ১৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন তিনি। ইনজুরি ও শৃঙ্খলাজনিত সমস্যায় ক্যারিয়ারের ধারাবাহিকতা হারালেও তার গতি ছিল কিংবদন্তি। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি।

সাবেক পাকিস্তানি পেসার শোয়েব আক্তার।  ছবি - সংগৃহীত

অন্যদিকে, হাবিবুল বাশার ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন। তার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেটে পেশাদারিত্বের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছিল, যার প্রভাব আজও টের পাওয়া যায়। শোয়েব আক্তারের মতো বিশ্বসেরা ফাস্ট বোলারের বিপক্ষে তার সাহসী ব্যাটিং ছিল সেই যুগের বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম উজ্জ্বল মুহূর্ত, যা প্রমাণ করে-দুর্বল দল হয়েও সঠিক মানসিকতা নিয়ে লড়াই করলে প্রতিপক্ষের আগুনে বোলিংও মোকাবেলা করে ভাল রান করা সম্ভব।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!