সৌদি প্রো লিগের তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবার আল নাসরের নগর প্রতিদ্বন্দ্বী আল রিয়াদের বিরুদ্ধে ম্যাচে খেলবেন না। শুরুতে মনে করা হয়েছিল, শারীরিক বিশ্রামের কারণে তিনি মাঠে থাকবেন না। তবে পর্তুগিজ সংবাদমাধ্যম আ বোলা জানিয়েছে, বিষয়টি আসলে ক্লাবের প্রতি রোনালদোর অসন্তোষের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আল নাসরের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) ক্লাব পরিচালনায় যে ধরন অবলম্বন করছে, তাতে রোনালদো সন্তুষ্ট নন। বিশেষ করে একই ফান্ডের মালিকানাধীন প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবগুলোর তুলনায় আল নাসরকে কম গুরুত্ব দেওয়া এবং কম বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
দল অধিনায়ক রোনালদোর অভিযোগ, স্কোয়াডকে শক্তিশালী করার জন্য পর্যাপ্ত নতুন খেলোয়াড় আনা হয়নি। চলতি শীতকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে আল নাসর মাত্র একজন—ইরাকের ২১ বছর বয়সি মিডফিল্ডার হাইদর আবদুলকারিম—কে দলে নিয়েছে। পাশাপাশি কোচ হোর্হে জেসুসের চাওয়ার পরও নতুন খেলোয়াড় যোগ করা হয়নি।
এরই মধ্যে আল নাসরের দুই পর্তুগিজ কর্মকর্তা—স্পোর্টিং ডিরেক্টর সিমাও কৌতিনিয়ো এবং সিইও হোসে সেমেদো—ক্লাব পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তে ক্ষমতা স্থগিত হয়েছেন। এই সব ঘটনার কারণে রোনালদোর অসন্তোষ আরও বেড়েছে।
তুলনামূলকভাবে, একই পিআইএফের অধীনে থাকা আল হিলাল ক্লাব ট্রান্সফার বাজারে অনেক বেশি সক্রিয়। তারা ইতোমধ্যেই ফিওরেন্টিনার স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাবলো মারি ও ফরাসি ফরোয়ার্ড কাদের মেইতেকে দলে নিয়েছে। এ ছাড়া আল হিলালের সঙ্গে নতুন চুক্তি নিয়ে অচলাবস্থার কারণে করিম বেনজেমা আল হিলালে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে রোনালদোর ‘বয়কট’ আল নাসরে অসন্তোষ প্রকাশের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
চলতি জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে আল নাসরের কোচ হোর্হে জেসুসও প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, তার ক্লাবে ‘আল হিলালের’ মতো রাজনৈতিক প্রভাব নেই। এই মন্তব্য সৌদি ফুটবলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন