ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নেইমারের অভিষেক ম্যাচ সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

স্পোর্টস রিপোর্টার
প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
নেইমার জুনিয়র। ছবি : সংগৃহীত

সালটা ২০১৪। বিশ্বকাপে নেইমার জুনিয়রের অভিষেক ম্যাচ। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী সেই ম্যাচে জোড়া গোল করে ব্রাজিলের প্রত্যাবর্তনে নেতৃত্ব দেন তিনি। সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তার অসাধারণ পারফরম্যান্সে গ্যালারিজুড়ে প্রশংসার ঢেউ ওঠে। সেই ম্যাচেই নেইমারকে ঘিরে তৈরি হয় বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য অর্জন ও রেকর্ড।

এই প্রতিবেদনে নেইমারের অভিষেক ম্যাচের ১০টি প্রাপ্তি তুলে ধরা হলো—

১. অভিষেক ম্যাচ পর্যন্ত নেইমার ব্রাজিলের হয়ে মোট ৩৩টি গোল করেছিলেন। উদ্বোধনী ম্যাচে করা জোড়া গোল তাকে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের সেরা দশের তালিকায় নিয়ে যায়। তার আগে ছিলেন— পেলে (৭৭), রোনালদো (৬২), রোমারিও (৫৫), জিকো (৫২), বেবেতো (৩৯) এবং রিভালদো (৩৪)।

২. তিনি ব্রাজিলের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোকে পেছনে ফেলেন।

৩. মাত্র ২২ বছর বয়সে নেইমার বিশ্বকাপের এক ম্যাচে জোড়া গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড়ের তকমা পান। এর আগে ১৯৬৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভ্যালেরি পোরকুয়ান এই কীর্তি গড়েছিলেন।

৪. বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে জোড়া গোল করা নবম খেলোয়াড় হিসেবে নাম লেখান নেইমার।

৫. বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে দুই গোল করা সপ্তম খেলোয়াড় তিনি এবং ১৯৯০ সালের পর প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে এই কীর্তি গড়েন।

৬. তার দ্বিতীয় গোলটি ছিল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে করা তৃতীয় পেনাল্টি গোল।

৭. সে সময় ওই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য ফিফা ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীদের ভোটে তিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।

৮. উদ্বোধনী ম্যাচে গোল করা এফসি বার্সেলোনার দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তালিকাভুক্ত হন নেইমার। এর আগে ২০১০ সালে মেক্সিকোর হয়ে রাফা মার্কেজ এই কীর্তি গড়েছিলেন।

৯. বলের দখল নিয়ে লড়াইয়ের সময় লুকা মদ্রিচকে আঘাত করার কারণে নেইমার সেই ম্যাচে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন।

১০. ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে রামিরেসের সঙ্গে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় দর্শকদের তুমুল করতালিতে বিদায় নেন নেইমার।