দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আগের দিন রাতে প্রকাশিত সারা দেশের পূর্বাভাসে জানানো হয়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশে চলমান বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী চার থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে, যা আগামী ৪ মে পর্যন্ত স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত এবং নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ জানান, পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে আগাম মৌসুমি বৃষ্টি হচ্ছে। এ সময় বজ্রপাতের ঝুঁকি বেশি থাকায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন