× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়, আঘাত হানতে পারে যে দিন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

ঘূর্ণিঝড়। ছবি : সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড়। ছবি : সংগৃহীত

চলতি মাসের শেষ দিকে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে মে মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক কালবৈশাখী, বজ্রঝড় ও তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, ১৫ মের পর বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুইটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শেষে এ পূর্বাভাস প্রকাশ করা হয়। কমিটির চেয়ারম্যান ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, মে মাসে দেশে মোটামুটি স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

বিভাগভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট বিভাগে ৫২০ থেকে ৫৪০ মিলিমিটার। এরপর ময়মনসিংহে ৩৪০ থেকে ৩৬০ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ৩৩০ থেকে ৩৫০ মিলিমিটার, রংপুরে ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিমিটার, ঢাকায় ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিমিটার, বরিশালে ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহীতে ১৭০ থেকে ১৯০ মিলিমিটার এবং খুলনায় ১৬০ থেকে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, মে মাসে ৫ থেকে ৮ দিন হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।

তাপমাত্রা বিষয়ে অধিদপ্তর জানায়, চলতি মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবে ১ থেকে ৩ দফা মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার একটি তীব্র আকার ধারণ করে ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।

নদ-নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনা থাকলেও উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানির স্তর বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

কৃষি পূর্বাভাসে বলা হয়, মে মাসে গড় বাষ্পীভবন ৩.৫ থেকে ৫.৫ মিলিমিটার এবং সূর্যকিরণকাল ৫.৫ থেকে ৭.৫ ঘণ্টা থাকতে পারে, যা কৃষিকাজের জন্য মোটামুটি অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৭৫.৭ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। বিশেষ করে বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ছিল।

এপ্রিলে দেশের বিভিন্ন স্থানে দুই দফা (৬ থেকে ৯ এপ্রিল ও ২৬ থেকে ৩০ এপ্রিল) ভারী বৃষ্টি, বজ্রঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ একদিনের বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ১৬০ মিলিমিটার। একই সময়ে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং রাঙ্গামাটিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!