দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়াও বয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় প্রকাশিত ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া, বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
রোববারও আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্ন এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এদিনও চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। তাপমাত্রা মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
সোমবার ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য বিভাগেও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেট অঞ্চলের কিছু এলাকায় ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
মঙ্গলবার ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবার রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু টেকনাফ উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে এবং ধীরে ধীরে বর্ষাকাল সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন