দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে দমকা কিংবা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের অন্য বিভাগগুলোতেও কমবেশি বৃষ্টির আভাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, উল্লিখিত ছয় বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু স্থানেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।
সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আবহাওয়ার চিত্রে দেখা যাচ্ছে, সিলেট বিভাগের বিস্তীর্ণ এলাকায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিচ্ছিন্ন এলাকাতেও বৃষ্টিপাত হতে পারে। কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
মঙ্গলবারও দেশের আবহাওয়ায় খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে, তবে তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মাদারীপুরে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে হাতিয়ায় ২০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এদিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে প্রবেশ করেছে। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে দেশের বাকি এলাকাতেও মৌসুমি বায়ু বিস্তারের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন