× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১২:৩০ এএম

চাঁদে আঘাত হানতে পারে গ্রহাণু, পৃথিবীতে উল্কাবৃষ্টি

বিশ্ব ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ১২:৩০ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চাঁদের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে একটি বিশাল গ্রহাণু। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা সত্যি হলে ২০৩২ সালে এর আঘাতে চাঁদ থেকে মহাকাশে ছিটকে পড়তে পারে ধ্বংসাবশেষ। আর সেই ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর আকাশে তৈরি করতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি, যা দেখা যাবে খালি চোখেই।

মূলত ওই গ্রহাণু চাঁদে আঘাত হানলে তার প্রভাব শুধু চাঁদেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিজ্ঞানীদের মতে, সেই বিস্ফোরণে ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ কয়েক দিন পর পৃথিবীর আকাশে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টির রূপ নিতে পারে।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, ২০৩২ সালের ডিসেম্বরে চাঁদে আঘাত হানতে পারে এমন একটি নতুন শনাক্ত গ্রহাণুকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা। এই সংঘর্ষ হলে চাঁদ থেকে ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসতে পারে এবং স্যাটেলাইটের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে একইসঙ্গে এই ঘটনা বিজ্ঞানীদের জন্য এনে দিতে পারে এক বিরল গবেষণার সুযোগ।

বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই গ্রহাণুটির প্রস্থ আনুমানিক ৬০ মিটার। ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর চাঁদের সঙ্গে এর সংঘর্ষের সম্ভাবনা প্রায় ৪ শতাংশ। সম্ভাবনা তুলনামূলক কম হলেও, সংঘর্ষ হলে সেটি এতটাই শক্তিশালী হবে যে সেই ঘটনা সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে গবেষকদের ধারণা।

চীনের বিজ্ঞানী ইফান হের একটি নতুন গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, এই সংঘর্ষ ঘটলে বিজ্ঞানীরা চাঁদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ নতুন তথ্য পেতে পারে। ওই গবেষণায় বলা হয়, আঘাতের ফলে যে শক্তি ছড়িয়ে পড়বে, তা মাঝারি আকারের একটি তাপ-পরমাণু বিস্ফোরণের সমান হতে পারে। আধুনিক যুগে চাঁদে দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী সংঘর্ষ হতে পারে এটি।

এছাড়া গ্রহাণুটি চাঁদে আঘাত করলে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত একটি গর্ত তৈরি হতে পারে এবং চাঁদের ভেতরে প্রায় ৫ মাত্রার একটি বৈশ্বিক ভূকম্পন সৃষ্টি হতে পারে। এতে চাঁদের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য পাওয়া যাবে, যা সরাসরি জানা এতদিন বিজ্ঞানীদের জন্য কঠিন ছিল।

এই বিস্ফোরণে বিপুল পরিমাণ ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে ছিটকে পড়বে। এর একটি অংশ কয়েক দিন পর পৃথিবীতে এসে পড়তে পারে, ফলে আকাশে সৃষ্টি হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি, যা খালি চোখেই দেখা যাবে।

তবে এই ঘটনা বড় ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। পড়ন্ত এই ধ্বংসাবশেষের আঘাতে সম্পদের ক্ষতি হতে পারে এবং মহাকাশ সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, এর কিছু অংশ স্যাটেলাইটে আঘাত হানলে ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামে পরিচিত এক ধরনের শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া শুরু হতে পারে।

এতে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও নেভিগেশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ঝুঁকির কারণে গ্রহাণুটিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য একটি মিশন পাঠানো হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সিদ্ধান্ত নিতে হবে পৃথিবীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আর এক অসাধারণ প্রাকৃতিক ঘটনার প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের সুযোগ এই দুইয়ের ভারসাম্য বিবেচনা করে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!